চেন্নাই: কথা ছিল আজই মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন তিনি। যার জেরে আগে থেকেই তিল ধারণের জায়গা নেই চেন্নাইয়ের রাজপথে। প্রিয় নেতাকে কুর্সিতে দেখতে ভিড় জমিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টিভিকে সমর্থক। কিন্তু, সব প্রস্তুতিতে জল ঢেলে দিলেন রাজ্যপাল আর ভি আরলেকর। ম্যাজিক ফিগার না থাকায় থলপতি বিজয়কে সরকার গড়তে ডাকতে নারাজ রাজভবন। আর, এই ‘অনড়’ মনোভাবের জেরেই এবার তামিলনাড়ুর রাজনীতি পৌঁছে যাচ্ছে আদালতের দোরগোড়ায়!
২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভায় একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে বিজয়ের দল টিভিকে। তাদের ঝুলিতে রয়েছে ১০৮টি আসন। সরকার গড়তে প্রয়োজন ১১৮। কংগ্রেসের সমর্থনে সেই সংখ্যা আপাতত ১১৩-তে ঠেকেছে। আরও পাঁচ বিধায়কের সমর্থন ছাড়া বিজয়কে শপথবাক্য পাঠ করাতে রাজি নন রাজ্যপাল। বিজয়ের দলের স্পষ্ট অভিযোগ, দিল্লির ইশারাতেই সংবিধান বহির্ভূতভাবে এই শপথগ্রহণ আটকে রাখা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী, একক বৃহত্তম দলকে সরকার গড়ার সুযোগ দিয়ে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের সময় দেওয়া উচিত। কিন্তু, রাজভবন সেই পথে হাঁটছে না।
আশ্চর্যের বিষয় হল, সরকার গঠনে সরাসরি সমর্থন না জানালেও রাজ্যপালের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছে বিদায়ী শাসকদল ডিএমকে। ডিএমকে নেতৃত্বের দাবি, রাজ্যপাল আরলেকর যা করছেন তা সরাসরি ‘তামিল অস্মিতা’ এবং সংবিধানের বিরোধী। কংগ্রেস ইতিমধ্যেই রাজভবনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
রাজ্যপাল নিজের অবস্থানে অনড় থাকলে আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন থলপতি বিজয়। তাঁদের দাবি, সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জায়গা হল বিধানসভা, রাজভবন নয়। এরই মধ্যে আশার আলো দেখাচ্ছে ভিসিকে । সূত্রের খবর, তারা শেষ মুহূর্তে বিজয়কে সমর্থনের চিঠি দিতে পারে। তেমনটা হলে বিজয়ের পক্ষে বিধায়ক সংখ্যা ১১৭-এ পৌঁছে যাবে।
এখন প্রশ্ন হল, রাজনৈতিক এই টানাপোড়েনের শেষ কোথায়? রাজভবন কি সংবিধান মেনে বিজয়কে সুযোগ দেবে, নাকি তামিলনাড়ুর ভাগ্য নির্ধারণ হবে সুপ্রিম কোর্টে? নজর রাখছে গোটা দেশ।
বিষয় : thalapathyvijay tamilnadupolitics TVK

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন