রবীন্দ্র জয়ন্তীর পুণ্য লগ্নে আজ শুধু রাজনৈতিক ইতিহাস নয়, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড সাক্ষী থাকছে এক অভিনব উদযাপনের। একদিকে মঞ্চে যখন বাংলার নতুন সূর্যের উদয় হতে চলেছে, অন্যদিকে মাঠের প্রতিটি কোণে কোণে তখন দেদার বিকোচ্ছে ঝালমুড়ি। মোদীজির সেই বিখ্যাত ঝালমুড়ি প্রীতি আজ যেন জনসমুদ্রে এক অন্য মাত্রা পেয়েছে।
হাতে হাতে ঘুরছে ঠোঙা, আর প্রতিটি কামড়ে বিজেপি সমর্থকদের মুখে শোনা যাচ্ছে তৃণমূল নেত্রীর প্রতি চরম কটাক্ষ। এক উল্লাসিত সমর্থকের কথায়, ‘আমরা ঝালমুড়ি খাচ্ছি আনন্দে, আর সেই ঝালে জ্বলুক দিদি!’ পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, নেত্রীর উদ্দেশ্যেও সটান ঝালমুড়ি পাঠানোর প্রস্তাব দিচ্ছেন অনেকে।
শুধু কি ঝালমুড়ি? বাঙালির এই ঐতিহাসিক দিনে স্বাদ বদলাতে স্টলে স্টলে সাজানো রয়েছে সীতাভোগ আর মিহিদানা। জয়ের মিষ্টতা আর প্রতিবাদের ঝাল—সব মিলিয়ে সরগরম তিলোত্তমা। একদিকে যখন শপথে মেতেছে গোটা রাজ্য, অন্যদিকে রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষ্যে রাজ্যপালের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি আর এবিভিপি-র প্রভাতফেরি ‘সোনার বাংলা’ গড়ার ডাক দিচ্ছে।
রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুর আর জয় শ্রী রাম স্লোগানের মিশেলে আজ এক অদ্ভুত আবহে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। একদিকে যখন রাজভবন থেকে ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন ফেরি হচ্ছে, অন্যদিকে ব্রিগেডের প্রতিটি ঝালমুড়ির ঠোঙায় লেখা হচ্ছে নতুন সরকারের জয়ের উপাখ্যান। পরিবর্তনের এই আবহে ঝাল-মিষ্টির এমন স্বাদ কি আগে কখনও দেখেছে বাংলা?

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন