নয়াদিল্লি: দেশের বিচারব্যবস্থার সর্বোচ্চ পদের নামে ভুয়ো এবং জাতিবিদ্বেষী মন্তব্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠল সমাজমাধ্যমে। আর, বিষয়টি নজরে আসতেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। এই ধরনের প্রবণতাকে ‘নীচ, নির্লজ্জ এবং ক্ষতিকর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি সাফ জানিয়েছেন, বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানের সম্মান নষ্ট করে মানুষের আস্থা নাড়িয়ে দেওয়ার এক গভীর ষড়যন্ত্র চলছে।
ঘটনার সূত্রপাত ‘UnreservedMERIT’ নামক একটি এক্স (পুরনো টুইটার) হ্যান্ডলের পোস্ট থেকে। হিন্দিতে লেখা ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছিল, প্রধান বিচারপতি নাকি মন্তব্য করেছেন — কোনও নির্দিষ্ট সমাজের মানুষ উচ্চপদে আসীন হওয়ার পরেও যদি নিজেদের শোষিত মনে করেন, তবে তার জন্য ‘ব্রাহ্মণরা’ দায়ী নয়, বরং দায়ী তাঁদের মানসিকতা। এই উক্তিটি দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসে প্রধান বিচারপতির দফতর।
বিবৃতিতে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, “যে উক্তি আমার নামে চালানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিদ্বেষমূলক এবং অসত্য।” তাঁর মতে, এই ধরনের কাল্পনিক এবং মনগড়া উক্তি প্রচার করা চরম অসততা এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের অবমাননার শামিল। এর মূল উদ্দেশ্যই হল, সমাজে ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি করা এবং আইনের শাসনের উপর সাধারণ মানুষের বিশ্বাস নষ্ট করা।
ইতিমধ্যেই প্রধান বিচারপতির দফতরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। সমাজমাধ্যমে চলা এই অসত্য এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য যাতে কোনওভাবেই মূল ধারার গণমাধ্যমে জায়গা না পায়, সেই বিষয়ে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি মনে করেন, এই ধরনের প্রবণতা ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষকে বিচারব্যবস্থা থেকে বিমুখ করে তুলতে পারে এবং সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন