কলকাতা: মে মাসের সেই অভিশপ্ত রাত আর মধ্যমগ্রামের সেই রক্তঝরা স্মৃতি এখনও টাটকা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়ার ঘটনায় অবশেষে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। খাস উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিন মূল অভিযুক্তকে। বিশেষ তদন্তকারী দল বা 'সিট'-এর একটি টিম রবিবার রাতে ইউপিতে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে এই তিনজনকে কবজায় আনে। ধৃতদের ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে আসা হচ্ছে কলকাতায়, যেখানে তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করে এই ষড়যন্ত্রের আসল পান্ডাদের হদিস পাওয়ার চেষ্টা করবেন গোয়েন্দারা।
তদন্তের জালে উঠে এসেছে রোমহর্ষক সব তথ্য। গোয়েন্দাদের দাবি, গত ৬ মে-র সেই অপারেশন কোনও আকস্মিক ঘটনা ছিল না, বরং প্রায় দেড় মাস আগে থেকেই চন্দ্রনাথকে খুনের ব্লু-প্রিন্ট সাজানো হয়েছিল। খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি আনা হয়েছিল ঝাড়খণ্ড থেকে, আর সেটিতে লাগানো ছিল ভুয়ো নম্বর প্লেট। ঘটনার দিন বালি টোলপ্লাজায় অনলাইন পেমেন্টের একটি ছোট সূত্র ধরেই অপরাধীদের জাল বুনতে শুরু করে এসটিএফ ও সিআইডি-র গোয়েন্দারা। মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথের গাড়ির গতিরোধ করে দু’দিক থেকে বাইকে এসে যেভাবে পেশাদার খুনিরা গুলি চালিয়েছিল, তাতে স্পষ্ট যে এই ঘটনার পিছনে কোনও বড় মাথা কাজ করছে। খুনিদের বাইক উদ্ধার হলেও সেগুলোর নম্বর প্লেটও ভুয়ো ছিল বলে জানা গেছে। কেন খুন হতে হলো চন্দ্রনাথকে? কোনও পুরনো শত্রুতা নাকি বড় কোনও রাজনৈতিক চক্রান্ত? এখন উত্তরপ্রদেশ থেকে ধৃত এই তিনজনকে জেরা করেই সেই রহস্যভেদের অপেক্ষায় রাজ্য পুলিশ।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন