কলকাতা: বঙ্গে গেরুয়া যুগের সূচনা হতে না হতেই প্রশাসনিকস্তরে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নে আজ প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক ছিল। তার আগেই পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ মহলে পৌঁছে গেল কড়া বার্তা। নবান্ন সূত্রে খবর, রাজ্যে দীর্ঘদিনের ‘সিন্ডিকেট রাজ’ এবং গরুপাচার সমূলে বিনাশ করতে পুলিশ সুপার-দের (SP) কড়া হাতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার বেলা ১১টা নাগাদ নবান্নে নতুন বিজেপি সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠক নির্ধারিত ছিল। কিন্তু, সেই বৈঠক শুরুর আগেই প্রশাসনিকস্তরে তৎপরতা শুরু হয়ে যায়। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এদিন নবান্নে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। যার মধ্যে - প্রথম বৈঠক ছিল রাজ্যের সচিবদের সঙ্গে, দ্বিতীয় বৈঠক ছিল জেলাশাসকদের সঙ্গে এবং তৃতীয় বৈঠকটি হওয়ার কথা বিকেলে - পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে। বিকেলের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার-সহ বিভিন্ন জোনের উচ্চপদস্থ পুলিশকর্তারা। এই বৈঠক থেকেই সিন্ডিকেট ও সীমান্ত অপরাধ দমনে চূড়ান্ত গাইডলাইন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী তাঁর ব্যক্তিগত সচিবালয় বা সিএমও-এ বড়সড় রদবদল শুরু করেছেন। প্রশাসনের অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, কোনওভাবেই কোনওরকম বেআইনি কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না — এই বার্তাই পুলিশকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। নবান্ন চত্বরে আজ মুখ্যমন্ত্রীকে ‘গার্ড অফ অনার’ও দেওয়া হয়।
সরকার পরিবর্তনের পরই প্রশাসনিকস্তরে এই ব্যাপক রদবদল এবং সিন্ডিকেট দমনে কড়া নির্দেশিকা সাধারণ মানুষের মনে প্রত্যাশার পারদ চড়িয়েছে। প্রথম দিনের ম্যারাথন বৈঠক শেষে আর কী কী নির্দেশিকা উঠে আসে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার
আপনার মতামত লিখুন