Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

কিম জং উনের মৃত্যু হলেই বিশ্বজুড়ে পরমাণু-প্রলয়? পৈশাচিক সিদ্ধান্ত উত্তর কোরিয়ার!

কিম জং উনের মৃত্যু হলেই বিশ্বজুড়ে পরমাণু-প্রলয়? পৈশাচিক সিদ্ধান্ত উত্তর কোরিয়ার!
ছবি: সংগৃহীত

পিয়ংইয়ং: পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের বিপর্যয় দেখে থমকে গিয়েছে গোটা বিশ্ব। আর, সেই আতঙ্ক থেকেই এবার চরম পদক্ষেপ করলেন উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উন। যদি বিদেশি শক্তির হানায় কিমের মৃত্যু হয় বা তিনি শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন, তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শত্রুপক্ষের উপর আছড়ে পড়বে পরমাণু বোমা! ইরান পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়েই নিজেদের পরমাণু নীতিতে এমনই এক বিধ্বংসী বদল আনল উত্তর কোরিয়া!


গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। পরমাণু কর্মসূচি বন্ধের হুঁশিয়ারি অগ্রাহ্য করায় ইরানকে যে চরম মাশুল দিতে হয়েছে, তা কিম জং উনকে বিচলিত করেছে। উত্তর কোরিয়ার আশঙ্কা, আমেরিকা-সহ পশ্চিমী দেশগুলি একইভাবে কিমকেও সরিয়ে দেওয়ার ছক কষতে পারে। সেই ‘ভুল’ যাতে কেউ না করে, তার জন্যই এই আগাম মরণফাঁদ প্রস্তুত করে রাখা হল!


উত্তর কোরিয়ার ১৫তম পিপলস অ্যাসেম্বলিতে এই নয়া নীতিতে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। এই নীতির প্রধান দিকগুলি হলো - দেশের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডারের রিমোট কন্ট্রোল থাকবে একমাত্র কিম জং উনের হাতে। যদি দেশের পরমাণু গবেষণাকেন্দ্র বা কর্মসূচির উপর কোনো হামলা হয়, তবে কোনও আইনি বাধা ছাড়াই পাল্টা পরমাণু হামলা চালানো হবে! সবচেয়ে ভয়াবহ সিদ্ধান্ত হল, যদি বিদেশি শক্তির হামলায় দেশের শাসক কিম জং উনের মৃত্যু হয়, তবে দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই পরমাণু যুদ্ধের নির্দেশ কার্যকর করবে!


বহু দিন ধরেই উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মকাণ্ডের উপর কড়া নজর রেখেছে আমেরিকা। দেশটি ইতিমধ্যে পরমাণু শক্তিধর হওয়ায় সরাসরি সেনা অভিযানের সাহস দেখায়নি ওয়াশিংটন। কিন্তু, ইরান পরিস্থিতি পিয়ংইয়ংকে বুঝিয়ে দিয়েছে, আকাশপথে হামলা চালিয়ে শীর্ষ নেতৃত্বকে খতম করা আমেরিকার পুরনো কৌশল। তাই, কিম জং উন এই নয়া নীতির মাধ্যমে স্পষ্ট করে দিলেন, তাঁকে ছোঁয়ার চেষ্টা করলেই পৃথিবীতে পরমাণু মহাপ্রলয় অনিবার্য!

বিষয় : North Korea GlobalConflict kimjongun IARANCRISIS NUCLEARWAR

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


কিম জং উনের মৃত্যু হলেই বিশ্বজুড়ে পরমাণু-প্রলয়? পৈশাচিক সিদ্ধান্ত উত্তর কোরিয়ার!

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image
পিয়ংইয়ং: পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের বিপর্যয় দেখে থমকে গিয়েছে গোটা বিশ্ব। আর, সেই আতঙ্ক থেকেই এবার চরম পদক্ষেপ করলেন উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উন। যদি বিদেশি শক্তির হানায় কিমের মৃত্যু হয় বা তিনি শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন, তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শত্রুপক্ষের উপর আছড়ে পড়বে পরমাণু বোমা! ইরান পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়েই নিজেদের পরমাণু নীতিতে এমনই এক বিধ্বংসী বদল আনল উত্তর কোরিয়া!গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। পরমাণু কর্মসূচি বন্ধের হুঁশিয়ারি অগ্রাহ্য করায় ইরানকে যে চরম মাশুল দিতে হয়েছে, তা কিম জং উনকে বিচলিত করেছে। উত্তর কোরিয়ার আশঙ্কা, আমেরিকা-সহ পশ্চিমী দেশগুলি একইভাবে কিমকেও সরিয়ে দেওয়ার ছক কষতে পারে। সেই ‘ভুল’ যাতে কেউ না করে, তার জন্যই এই আগাম মরণফাঁদ প্রস্তুত করে রাখা হল!উত্তর কোরিয়ার ১৫তম পিপলস অ্যাসেম্বলিতে এই নয়া নীতিতে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। এই নীতির প্রধান দিকগুলি হলো - দেশের পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডারের রিমোট কন্ট্রোল থাকবে একমাত্র কিম জং উনের হাতে। যদি দেশের পরমাণু গবেষণাকেন্দ্র বা কর্মসূচির উপর কোনো হামলা হয়, তবে কোনও আইনি বাধা ছাড়াই পাল্টা পরমাণু হামলা চালানো হবে! সবচেয়ে ভয়াবহ সিদ্ধান্ত হল, যদি বিদেশি শক্তির হামলায় দেশের শাসক কিম জং উনের মৃত্যু হয়, তবে দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই পরমাণু যুদ্ধের নির্দেশ কার্যকর করবে!বহু দিন ধরেই উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মকাণ্ডের উপর কড়া নজর রেখেছে আমেরিকা। দেশটি ইতিমধ্যে পরমাণু শক্তিধর হওয়ায় সরাসরি সেনা অভিযানের সাহস দেখায়নি ওয়াশিংটন। কিন্তু, ইরান পরিস্থিতি পিয়ংইয়ংকে বুঝিয়ে দিয়েছে, আকাশপথে হামলা চালিয়ে শীর্ষ নেতৃত্বকে খতম করা আমেরিকার পুরনো কৌশল। তাই, কিম জং উন এই নয়া নীতির মাধ্যমে স্পষ্ট করে দিলেন, তাঁকে ছোঁয়ার চেষ্টা করলেই পৃথিবীতে পরমাণু মহাপ্রলয় অনিবার্য!

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার