Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

শুল্ক যুদ্ধ ভুলে ট্রাম্পকে 'বন্ধু' ডাক জিনপিংয়ের! বেজিংয়ে কি বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ বদলে যাচ্ছে?

শুল্ক যুদ্ধ ভুলে ট্রাম্পকে 'বন্ধু' ডাক জিনপিংয়ের! বেজিংয়ে কি বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ বদলে যাচ্ছে?
ছবি: সংগৃহীত

বেজিং: দীর্ঘ ৯ বছরের শৈত্য কাটিয়ে অবশেষে কি তবে এক হতে চলেছে ওয়াশিংটন এবং বেজিং? বৃহস্পতিবার চিনের রাজধানী বেজিংয়ের তিয়েনানমেন স্কোয়ারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের উষ্ণ করমর্দন বিশ্ব রাজনীতির অলিন্দে নতুন করে জল্পনার রসদ দিয়েছে। একে অন্যকে 'বন্ধু' সম্বোধন করে দুই রাষ্ট্রপ্রধানই বার্তা দিলেন — প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, এবার সময় একসঙ্গে পথ চলার।


বুধবার বিকেলে ট্রাম্প বেজিংয়ে পা রাখার পর থেকেই ছবিটা ছিল অন্যরকম। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে স্বয়ং চিনা ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যাং জেং-এর উপস্থিতিই বুঝিয়ে দিয়েছিল, সম্পর্কের বরফ এবার হয়তো গলবে। বৃহস্পতিবার সকালে তিয়েনানমেন স্কোয়ারের 'গ্রেট হল অফ দ্য পিপল'-এ লাল গালিচা পেতে ট্রাম্পকে স্বাগত জানান শি জিনপিং। দুই নেতার শরীরী ভাষাতেই ছিল 'বন্ধুত্বের' ছাপ!


বৈঠকের শুরুতেই জিনপিং ট্রাম্পের উদ্দেশে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, "আসুন, আমরা একসঙ্গে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি। আমাদের একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে পরস্পরের সঙ্গী হওয়া উচিত। প্রধান শক্তিধর রাষ্ট্রগুলি কীভাবে শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করতে পারে, আমাদের সেই পথের সন্ধান করতে হবে।"


পাল্টা সৌজন্য দেখাতে কসুর করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্টও। জিনপিংকে নিজের ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করে ট্রাম্প বলেন, "আপনার বন্ধু হতে পেরে আমি সম্মানিত। এই বৈঠক এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শীর্ষ সম্মেলন।" মার্কিন শিল্পপতিদের একটি বড় দলকেও সঙ্গে এনেছেন ট্রাম্প, যা দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।


শেষবার ২০১৭ সালে চিন সফরে এসেছিলেন ট্রাম্প। গত কয়েক বছরে শুল্ক নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, এই সফরের মাধ্যমে তা প্রশমিত হওয়ার আশা দেখছে আন্তর্জাতিক মহল। গোটা বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে এই তিনদিনের সফরের চূড়ান্ত ফলাফলের দিকে — ট্রাম্প ও জিনপিংয়ের এই রসায়ন বিশ্ব অর্থনীতিতে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার।

বিষয় : globalpolitics worldeconomy TRUMPININDIA USCHINATALKS BEIJINGSUMMIT

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


শুল্ক যুদ্ধ ভুলে ট্রাম্পকে 'বন্ধু' ডাক জিনপিংয়ের! বেজিংয়ে কি বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ বদলে যাচ্ছে?

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image
বেজিং: দীর্ঘ ৯ বছরের শৈত্য কাটিয়ে অবশেষে কি তবে এক হতে চলেছে ওয়াশিংটন এবং বেজিং? বৃহস্পতিবার চিনের রাজধানী বেজিংয়ের তিয়েনানমেন স্কোয়ারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের উষ্ণ করমর্দন বিশ্ব রাজনীতির অলিন্দে নতুন করে জল্পনার রসদ দিয়েছে। একে অন্যকে 'বন্ধু' সম্বোধন করে দুই রাষ্ট্রপ্রধানই বার্তা দিলেন — প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, এবার সময় একসঙ্গে পথ চলার।বুধবার বিকেলে ট্রাম্প বেজিংয়ে পা রাখার পর থেকেই ছবিটা ছিল অন্যরকম। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে স্বয়ং চিনা ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যাং জেং-এর উপস্থিতিই বুঝিয়ে দিয়েছিল, সম্পর্কের বরফ এবার হয়তো গলবে। বৃহস্পতিবার সকালে তিয়েনানমেন স্কোয়ারের 'গ্রেট হল অফ দ্য পিপল'-এ লাল গালিচা পেতে ট্রাম্পকে স্বাগত জানান শি জিনপিং। দুই নেতার শরীরী ভাষাতেই ছিল 'বন্ধুত্বের' ছাপ!বৈঠকের শুরুতেই জিনপিং ট্রাম্পের উদ্দেশে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, "আসুন, আমরা একসঙ্গে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি। আমাদের একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে পরস্পরের সঙ্গী হওয়া উচিত। প্রধান শক্তিধর রাষ্ট্রগুলি কীভাবে শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করতে পারে, আমাদের সেই পথের সন্ধান করতে হবে।"পাল্টা সৌজন্য দেখাতে কসুর করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্টও। জিনপিংকে নিজের ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করে ট্রাম্প বলেন, "আপনার বন্ধু হতে পেরে আমি সম্মানিত। এই বৈঠক এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় শীর্ষ সম্মেলন।" মার্কিন শিল্পপতিদের একটি বড় দলকেও সঙ্গে এনেছেন ট্রাম্প, যা দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।শেষবার ২০১৭ সালে চিন সফরে এসেছিলেন ট্রাম্প। গত কয়েক বছরে শুল্ক নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল, এই সফরের মাধ্যমে তা প্রশমিত হওয়ার আশা দেখছে আন্তর্জাতিক মহল। গোটা বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে এই তিনদিনের সফরের চূড়ান্ত ফলাফলের দিকে — ট্রাম্প ও জিনপিংয়ের এই রসায়ন বিশ্ব অর্থনীতিতে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার