Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

সুইডেনের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী, বিদেশের মাটিতে উলুধ্বনিতে স্বাগত জানালেন বাঙালিরা

সুইডেনের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী, বিদেশের মাটিতে উলুধ্বনিতে স্বাগত জানালেন বাঙালিরা
ছবি: সংগৃহীত

গোথেনবার্গ: আন্তর্জাতিক কূটনীতির আঙিনায় আরও একবার ভারতের জয়পতাকা ওড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাঁচ দেশের বিদেশ সফরের অংশ হিসেবে রবিবার সুইডেনে পা রাখতেই তাঁর ঝুলিতে এল এক অনন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। বিশ্বজুড়ে ভারতের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ভূষিত করা হলো সুইডেনের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার কমান্ডার গ্র্যান্ড ক্রস’-এ। এই বিরল সম্মানের হাত ধরে বিশ্বমঞ্চে নরেন্দ্র মোদীর প্রাপ্ত আন্তর্জাতিক পুরস্কারের সংখ্যা পৌঁছে গেল ৩১-এ, যা এক নতুন ইতিহাস। 


গোথেনবার্গ বিমানবন্দরে পৌঁছনো মাত্রই ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন। তবে সফরের সবচেয়ে নজরকাড়া মুহূর্তটি তৈরি হয় যখন সুদূর বিদেশের মাটিতে প্রবাসী ভারতীয়রা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে মেতে ওঠেন। বিশেষ করে প্রবাসী বাঙালিদের ঐতিহ্যবাহী নাচ, লাইভ অর্কেস্ট্রা এবং পিতলের বরণডালা, প্রদীপ, ধান-দুর্বো ও উলুধ্বনির সুর গোটা পরিবেশকে যেন এক টুকরো বাংলায় পরিণত করেছিল। সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান যেন সুদূর ইউরোপের মাটিতে ভারতীয় সংস্কৃতির জয়গান গাইল। 


উৎসবের আমেজ কাটিয়ে এরপরই দুই রাষ্ট্রপ্রধান মেতে ওঠেন উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে। বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), স্টার্টআপ, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ গবেষণা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয় দুই দেশের মধ্যে। বৈঠকের আগে সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে দু’টি ছোট কবিতার প্রতিলিপি উপহার হিসেবে তুলে দেন, যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্টও করেছেন মোদী। ২০১৮ সালের পর ২০২৬-এ এটি প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সুইডেন সফর, যা বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি দুই দেশের বন্ধুত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল।

বিষয় : Narendra Modi PMMODI swedenvisit internationalaward gothenburg

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


সুইডেনের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী, বিদেশের মাটিতে উলুধ্বনিতে স্বাগত জানালেন বাঙালিরা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image
গোথেনবার্গ: আন্তর্জাতিক কূটনীতির আঙিনায় আরও একবার ভারতের জয়পতাকা ওড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাঁচ দেশের বিদেশ সফরের অংশ হিসেবে রবিবার সুইডেনে পা রাখতেই তাঁর ঝুলিতে এল এক অনন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। বিশ্বজুড়ে ভারতের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ভূষিত করা হলো সুইডেনের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘রয়্যাল অর্ডার অফ দ্য পোলার স্টার কমান্ডার গ্র্যান্ড ক্রস’-এ। এই বিরল সম্মানের হাত ধরে বিশ্বমঞ্চে নরেন্দ্র মোদীর প্রাপ্ত আন্তর্জাতিক পুরস্কারের সংখ্যা পৌঁছে গেল ৩১-এ, যা এক নতুন ইতিহাস। গোথেনবার্গ বিমানবন্দরে পৌঁছনো মাত্রই ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন। তবে সফরের সবচেয়ে নজরকাড়া মুহূর্তটি তৈরি হয় যখন সুদূর বিদেশের মাটিতে প্রবাসী ভারতীয়রা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে মেতে ওঠেন। বিশেষ করে প্রবাসী বাঙালিদের ঐতিহ্যবাহী নাচ, লাইভ অর্কেস্ট্রা এবং পিতলের বরণডালা, প্রদীপ, ধান-দুর্বো ও উলুধ্বনির সুর গোটা পরিবেশকে যেন এক টুকরো বাংলায় পরিণত করেছিল। সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান যেন সুদূর ইউরোপের মাটিতে ভারতীয় সংস্কৃতির জয়গান গাইল। উৎসবের আমেজ কাটিয়ে এরপরই দুই রাষ্ট্রপ্রধান মেতে ওঠেন উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে। বাণিজ্য ও প্রযুক্তিগত সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), স্টার্টআপ, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ গবেষণা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয় দুই দেশের মধ্যে। বৈঠকের আগে সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে দু’টি ছোট কবিতার প্রতিলিপি উপহার হিসেবে তুলে দেন, যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্টও করেছেন মোদী। ২০১৮ সালের পর ২০২৬-এ এটি প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সুইডেন সফর, যা বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি দুই দেশের বন্ধুত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার