Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

নবান্নে পদ্ম ফুটতেই যুবভারতীতেও বড় বদল! বিতর্কিত ‘কাটা পা’ ও বিশ্ববাংলা লোগোর ভাস্কর্য ভাঙল পূর্ত দফতর

নবান্নে পদ্ম ফুটতেই যুবভারতীতেও বড় বদল! বিতর্কিত ‘কাটা পা’ ও বিশ্ববাংলা লোগোর ভাস্কর্য ভাঙল পূর্ত দফতর
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: সল্টলেক যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের মূল ফটকের সামনে থাকা দীর্ঘদিনের বিতর্কিত ও অদ্ভূত ভাস্কর্যটির অবসান ঘটল। নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কড়া নির্দেশের পর শনিবার ভোরেই যুবভারতীর ভিভিআইপি গেটের সামনের সেই বিতর্কিত মূর্তিটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত ১৭ মে ডার্বি ম্যাচ দেখতে গিয়ে এই মূর্তিটি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মন্ত্রী। তার ঠিক এক সপ্তাহের মধ্যেই এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ করা হল।


বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে, ২০১৭ সালের অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল বিশ্বকাপের সময় যুবভারতী স্টেডিয়াম চত্বর সাজানোর অঙ্গ হিসেবে এই ভাস্কর্যটি তৈরি করা হয়েছিল। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজস্ব ভাবনায় তৈরি এই মূর্তির গঠনশৈলী নিয়ে শুরু থেকেই ক্রীড়ামহলে তীব্র সমালোচনা চলছিল। ভাস্কর্যটিতে কেবল মানুষের কোমর থেকে পা পর্যন্ত অংশ ছিল এবং তার ওপর বসানো হয়েছিল 'বিশ্ববাংলা'র লোগো। পায়ের নীচে থাকা ফুটবলের গায়ে লেখা ছিল ‘জয়ী’। এই কাটা পায়ের মূর্তির আসল অর্থ বা নান্দনিকতা কী, তা ফুটবলপ্রেমীদের কাছে কখনোই বোধগম্য হয়নি।


রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর গত সপ্তাহে যুবভারতীতে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ম্যাচ দেখতে যান বর্তমান ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। খেলা শেষে স্টেডিয়ামের বাইরে দাঁড়িয়ে এই ভাস্কর্যটিকে 'বিদঘুটে' বলে কটাক্ষ করেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, এই ধরনের কাটা পায়ের ওপর ফুটবল বসানোর পর থেকেই নাকি আগের সরকারের খারাপ সময় শুরু হয়েছিল, যার জল গড়ায় ‘মেসি কাণ্ড’ এবং শেষমেশ ক্ষমতাচ্যুতিতে। পূর্ত দফতরের সঙ্গে কথা বলে এটি দ্রুত ভাঙার কথা সেদিনই ঘোষণা করেছিলেন তিনি।


শনিবার সকালের অপারেশনের পর বিতর্কিত ওই মূর্তির ওপরের অংশ পুরোপুরি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এখন সেখানে শুধু দুটি বুট ও ফুটবল পড়ে রয়েছে। ক্রীড়ামন্ত্রক সূত্রে খবর, এই অর্থহীন এবং দৃষ্টিকটু নকশার বদলে ওই জায়গায় বাংবা তথা ভারতের কোনও কিংবদন্তি ফুটবলারের পূর্ণাঙ্গ মূর্তি স্থাপন করা হবে, যা যুবভারতীর আন্তর্জাতিক মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

বিষয় : nishithpramanik yubabharatistadium saltlakestadium footballstatueremoved

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


নবান্নে পদ্ম ফুটতেই যুবভারতীতেও বড় বদল! বিতর্কিত ‘কাটা পা’ ও বিশ্ববাংলা লোগোর ভাস্কর্য ভাঙল পূর্ত দফতর

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: সল্টলেক যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের মূল ফটকের সামনে থাকা দীর্ঘদিনের বিতর্কিত ও অদ্ভূত ভাস্কর্যটির অবসান ঘটল। নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কড়া নির্দেশের পর শনিবার ভোরেই যুবভারতীর ভিভিআইপি গেটের সামনের সেই বিতর্কিত মূর্তিটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত ১৭ মে ডার্বি ম্যাচ দেখতে গিয়ে এই মূর্তিটি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মন্ত্রী। তার ঠিক এক সপ্তাহের মধ্যেই এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ করা হল।বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে, ২০১৭ সালের অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল বিশ্বকাপের সময় যুবভারতী স্টেডিয়াম চত্বর সাজানোর অঙ্গ হিসেবে এই ভাস্কর্যটি তৈরি করা হয়েছিল। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজস্ব ভাবনায় তৈরি এই মূর্তির গঠনশৈলী নিয়ে শুরু থেকেই ক্রীড়ামহলে তীব্র সমালোচনা চলছিল। ভাস্কর্যটিতে কেবল মানুষের কোমর থেকে পা পর্যন্ত অংশ ছিল এবং তার ওপর বসানো হয়েছিল 'বিশ্ববাংলা'র লোগো। পায়ের নীচে থাকা ফুটবলের গায়ে লেখা ছিল ‘জয়ী’। এই কাটা পায়ের মূর্তির আসল অর্থ বা নান্দনিকতা কী, তা ফুটবলপ্রেমীদের কাছে কখনোই বোধগম্য হয়নি।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর গত সপ্তাহে যুবভারতীতে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ম্যাচ দেখতে যান বর্তমান ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। খেলা শেষে স্টেডিয়ামের বাইরে দাঁড়িয়ে এই ভাস্কর্যটিকে 'বিদঘুটে' বলে কটাক্ষ করেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, এই ধরনের কাটা পায়ের ওপর ফুটবল বসানোর পর থেকেই নাকি আগের সরকারের খারাপ সময় শুরু হয়েছিল, যার জল গড়ায় ‘মেসি কাণ্ড’ এবং শেষমেশ ক্ষমতাচ্যুতিতে। পূর্ত দফতরের সঙ্গে কথা বলে এটি দ্রুত ভাঙার কথা সেদিনই ঘোষণা করেছিলেন তিনি।শনিবার সকালের অপারেশনের পর বিতর্কিত ওই মূর্তির ওপরের অংশ পুরোপুরি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এখন সেখানে শুধু দুটি বুট ও ফুটবল পড়ে রয়েছে। ক্রীড়ামন্ত্রক সূত্রে খবর, এই অর্থহীন এবং দৃষ্টিকটু নকশার বদলে ওই জায়গায় বাংবা তথা ভারতের কোনও কিংবদন্তি ফুটবলারের পূর্ণাঙ্গ মূর্তি স্থাপন করা হবে, যা যুবভারতীর আন্তর্জাতিক মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার