Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

পাহাড়ের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিরাট উপহার! কালিম্পংয়ে নতুন মেডিক্যাল কলেজ গড়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

পাহাড়ের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিরাট উপহার! কালিম্পংয়ে নতুন মেডিক্যাল কলেজ গড়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
ছবি সংগৃহীত

কলকাতা: উত্তরবঙ্গের পাহাড়ের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে ঐতিহাসিক পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালিম্পং জেলায় একটি সম্পূর্ণ নতুন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল তৈরি করতে চলেছে রাজ্য সরকার। শুক্রবার নবান্নে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী নিজে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, পশ্চিমবঙ্গের যে চারটি জেলায় এখনও পর্যন্ত কোনও মেডিক্যাল কলেজ গড়ে ওঠেনি, কালিম্পং তার মধ্যে অন্যতম। পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের এই অভাব দূর করতেই সেখানে নতুন মেডিক্যাল কলেজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রস্তাবিত মেডিক্যাল কলেজের উপযুক্ত জমি নির্বাচনের জন্য স্থানীয় সাংসদ এবং বিধায়কদের পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে জেলাশাসক (DM) দ্রুত জমি চিহ্নিত করবেন এবং তার পরেই একটি ডিটেল প্রজেক্ট রিপোর্ট বা ডিপিআর (DPR) তৈরি করে পাঠানো হবে। ভারত সরকারের বিশেষ কর্মসূচির আওতায় এবং কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ খরচের ভিত্তিতে (কস্ট-রেশিও সিস্টেমে) এই অত্যাধুনিক মেডিক্যাল কলেজটি গড়ে তোলা হবে।


মেডিক্যাল কলেজের পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে পাহাড়ের স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য সামাজিক পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তনের দিকেও বিশেষ নজর দিয়েছে নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, তিনি পাহাড়ের তিন বিধায়ককে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে তাঁরা নিজ নিজ এলাকার সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পর্যটনকেন্দ্র এবং হাসপাতালগুলি ব্যক্তিগতভাবে পরিদর্শন করেন। বিশেষ করে গ্রামীণ ও মহকুমা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে ডাক্তার এবং নার্সের সংখ্যা ঠিকঠাক রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। সেখানে চিকিৎসার জন্য আরও কী কী আধুনিক যন্ত্রপাতি প্রয়োজন, তার একটি বিস্তারিত তালিকা তৈরি করে জেলাশাসকের মাধ্যমে দ্রুত স্বাস্থ্য দফতরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যাতে জরুরি ভিত্তিতে সেগুলি বরাদ্দ করা যায়।


এদিনের বৈঠকে পাহাড়ের চা বাগানগুলির সঙ্কট এবং শ্রমিকদের দুর্দশা মোচনের বিষয়েও কড়া ও স্পষ্ট পরিকল্পনার কথা শুনিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তরফে আগেই চা বলয়ের জন্য একটি স্পেশাল প্যাকেজ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, আগের সরকার তা নিয়ে বাংলায় কোনও কাজই করেনি। অথচ, সেই একই কেন্দ্রীয় প্রকল্প সঠিকভাবে ব্যবহার করে প্রতিবেশী রাজ্য অসমের বহু চা শ্রমিকের আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই এবার আর সময় নষ্ট না করে বাংলাতেও সেই থমকে থাকা কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হবে। বন্ধ চা বাগানগুলির শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে এবং তাঁদের বকেয়া অধিকার ফিরিয়ে দিতে নিয়ম মেনে দ্রুত কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আনার ব্যবস্থা করা হবে বলেও স্পষ্ট আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

বিষয় : SuvenduAdhikari kalimpongmedical darjeelinghills hillhealthcare

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


পাহাড়ের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিরাট উপহার! কালিম্পংয়ে নতুন মেডিক্যাল কলেজ গড়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: উত্তরবঙ্গের পাহাড়ের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে ঐতিহাসিক পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালিম্পং জেলায় একটি সম্পূর্ণ নতুন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল তৈরি করতে চলেছে রাজ্য সরকার। শুক্রবার নবান্নে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী নিজে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, পশ্চিমবঙ্গের যে চারটি জেলায় এখনও পর্যন্ত কোনও মেডিক্যাল কলেজ গড়ে ওঠেনি, কালিম্পং তার মধ্যে অন্যতম। পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের এই অভাব দূর করতেই সেখানে নতুন মেডিক্যাল কলেজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রস্তাবিত মেডিক্যাল কলেজের উপযুক্ত জমি নির্বাচনের জন্য স্থানীয় সাংসদ এবং বিধায়কদের পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে জেলাশাসক (DM) দ্রুত জমি চিহ্নিত করবেন এবং তার পরেই একটি ডিটেল প্রজেক্ট রিপোর্ট বা ডিপিআর (DPR) তৈরি করে পাঠানো হবে। ভারত সরকারের বিশেষ কর্মসূচির আওতায় এবং কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ খরচের ভিত্তিতে (কস্ট-রেশিও সিস্টেমে) এই অত্যাধুনিক মেডিক্যাল কলেজটি গড়ে তোলা হবে।মেডিক্যাল কলেজের পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে পাহাড়ের স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য সামাজিক পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তনের দিকেও বিশেষ নজর দিয়েছে নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, তিনি পাহাড়ের তিন বিধায়ককে নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে তাঁরা নিজ নিজ এলাকার সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পর্যটনকেন্দ্র এবং হাসপাতালগুলি ব্যক্তিগতভাবে পরিদর্শন করেন। বিশেষ করে গ্রামীণ ও মহকুমা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে ডাক্তার এবং নার্সের সংখ্যা ঠিকঠাক রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। সেখানে চিকিৎসার জন্য আরও কী কী আধুনিক যন্ত্রপাতি প্রয়োজন, তার একটি বিস্তারিত তালিকা তৈরি করে জেলাশাসকের মাধ্যমে দ্রুত স্বাস্থ্য দফতরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যাতে জরুরি ভিত্তিতে সেগুলি বরাদ্দ করা যায়।এদিনের বৈঠকে পাহাড়ের চা বাগানগুলির সঙ্কট এবং শ্রমিকদের দুর্দশা মোচনের বিষয়েও কড়া ও স্পষ্ট পরিকল্পনার কথা শুনিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তরফে আগেই চা বলয়ের জন্য একটি স্পেশাল প্যাকেজ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, আগের সরকার তা নিয়ে বাংলায় কোনও কাজই করেনি। অথচ, সেই একই কেন্দ্রীয় প্রকল্প সঠিকভাবে ব্যবহার করে প্রতিবেশী রাজ্য অসমের বহু চা শ্রমিকের আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই এবার আর সময় নষ্ট না করে বাংলাতেও সেই থমকে থাকা কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হবে। বন্ধ চা বাগানগুলির শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে এবং তাঁদের বকেয়া অধিকার ফিরিয়ে দিতে নিয়ম মেনে দ্রুত কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আনার ব্যবস্থা করা হবে বলেও স্পষ্ট আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার