Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘শান্তিনিকেতন’-এর পর কালীঘাটের বাড়ি, অভিষেকের আবাসে পরপর সিআইডি হানা! ‘মাথা নত করব না’, হুঙ্কার তৃণমূল সাংসদের

‘শান্তিনিকেতন’-এর পর কালীঘাটের বাড়ি, অভিষেকের আবাসে পরপর সিআইডি হানা! ‘মাথা নত করব না’, হুঙ্কার তৃণমূল সাংসদের
ছবি--প্রতীকী

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ মুখার্জি রোডের বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এ হানার পর এবার তাঁর কালীঘাটের বাড়িতেও পৌঁছলেন রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তথা সিআইডি-র আধিকারিকরা। শনিবার দুপুরে প্রথমে হরিশ মুখার্জি রোডের ১৮৮এ ঠিকানায় অভিষেকের বাসভবনে চার সদস্যের সিআইডির একটি বিশেষ টিম যায়। সেখানে বাড়ির নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন গোয়েন্দারা। তবে, সাংসদ বাড়িতে নেই বলে তাঁদের জানানো হয়। ‘শান্তিনিকেতন’ থেকে বেরোনোর কিছুক্ষণের মধ্যেই কালীঘাটে অভিষেকের অন্য একটি বাসভবনেও হাজির হন সিআইডি আধিকারিকরা। ঠিক কী কারণে একই দিনে সাংসদের দুটি বাড়িতে সিআইডি হানা দিল, তা নিয়ে এখনও সরকারিভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।


রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশের অনুমান, সম্প্রতি তৃণমূলের পরিষদীয় দলের একটি চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরে বড়সড় অসঙ্গতি মেলার ঘটনায় যে তদন্ত শুরু হয়েছে। তার সূত্র ধরেই এই হানা হয়ে থাকতে পারে। এই জালিয়াতি মামলার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতিমধ্যেই সিআইডি আধিকারিকরা চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ, ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলাম এবং ডোমজুডের বিধায়ক তাপস মাইতির বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেই একই তদন্তের জল এবার অভিষেকের বাড়ি পর্যন্ত গড়াল কিনা, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।


এর আগে গত সোমবার বিকেলেও অভিষেকের ‘শান্তিনিকেতন’ বাসভবনে হাজির হয়েছিল কলকাতা পুলিশের একটি টিম। মূলত ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ কোম্পানির ঠিকানায় বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত একটি অভিযোগে কলকাতা পুরনিগম (KMC) নোটিস পাঠিয়েছিল। 

এদিকে, এদিনই একের পর এক পুলিশ ও সিআইডি হানা নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমার বাড়িতে কী ধরনের অবৈধ নির্মাণ হয়েছে, সেই বিষয়ে আমাকে বিস্তারিত জানাতে হবে। আমি এই নিয়ে একটি মামলা দায়ের করব। সিআইডি বা কেএমসি কেন এখানে এসেছে — তা কেবল তারাই বলতে পারবে। আমি এখনও কোনও নোটিস পাইনি। আমি ইডি বা সিবিআই-এর কাছে মাথা নত করিনি। ভবিষ্যতেও আমি কারও কাছে মাথা নত করব না।”


তদন্তকারী সংস্থাগুলির এই লাগাতার সক্রিয়তার মাঝেই শনিবার সকাল থেকে ভোট-পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত তৃণমূল কর্মী ও নেতাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কর্মসূচি বজায় রেখেছেন অভিষেক। এদিন সকালেই তিনি বেলেঘাটায় নিহত এক তৃণমূলকর্মীর পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়ান এবং পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। এরপর আরও কয়েকটি জায়গায় তাঁর পরিদর্শনে যাওয়ার কর্মসূচি রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

বিষয় : BengalPolitics AbhishekBanerjee CIDRAID shantinikatanresidence kalighathouse

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


‘শান্তিনিকেতন’-এর পর কালীঘাটের বাড়ি, অভিষেকের আবাসে পরপর সিআইডি হানা! ‘মাথা নত করব না’, হুঙ্কার তৃণমূল সাংসদের

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬

featured Image
কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ মুখার্জি রোডের বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এ হানার পর এবার তাঁর কালীঘাটের বাড়িতেও পৌঁছলেন রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তথা সিআইডি-র আধিকারিকরা। শনিবার দুপুরে প্রথমে হরিশ মুখার্জি রোডের ১৮৮এ ঠিকানায় অভিষেকের বাসভবনে চার সদস্যের সিআইডির একটি বিশেষ টিম যায়। সেখানে বাড়ির নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন গোয়েন্দারা। তবে, সাংসদ বাড়িতে নেই বলে তাঁদের জানানো হয়। ‘শান্তিনিকেতন’ থেকে বেরোনোর কিছুক্ষণের মধ্যেই কালীঘাটে অভিষেকের অন্য একটি বাসভবনেও হাজির হন সিআইডি আধিকারিকরা। ঠিক কী কারণে একই দিনে সাংসদের দুটি বাড়িতে সিআইডি হানা দিল, তা নিয়ে এখনও সরকারিভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশের অনুমান, সম্প্রতি তৃণমূলের পরিষদীয় দলের একটি চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরে বড়সড় অসঙ্গতি মেলার ঘটনায় যে তদন্ত শুরু হয়েছে। তার সূত্র ধরেই এই হানা হয়ে থাকতে পারে। এই জালিয়াতি মামলার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইতিমধ্যেই সিআইডি আধিকারিকরা চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ, ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক বাহারুল ইসলাম এবং ডোমজুডের বিধায়ক তাপস মাইতির বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেই একই তদন্তের জল এবার অভিষেকের বাড়ি পর্যন্ত গড়াল কিনা, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে গত সোমবার বিকেলেও অভিষেকের ‘শান্তিনিকেতন’ বাসভবনে হাজির হয়েছিল কলকাতা পুলিশের একটি টিম। মূলত ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ কোম্পানির ঠিকানায় বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত একটি অভিযোগে কলকাতা পুরনিগম (KMC) নোটিস পাঠিয়েছিল। এদিকে, এদিনই একের পর এক পুলিশ ও সিআইডি হানা নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমার বাড়িতে কী ধরনের অবৈধ নির্মাণ হয়েছে, সেই বিষয়ে আমাকে বিস্তারিত জানাতে হবে। আমি এই নিয়ে একটি মামলা দায়ের করব। সিআইডি বা কেএমসি কেন এখানে এসেছে — তা কেবল তারাই বলতে পারবে। আমি এখনও কোনও নোটিস পাইনি। আমি ইডি বা সিবিআই-এর কাছে মাথা নত করিনি। ভবিষ্যতেও আমি কারও কাছে মাথা নত করব না।”তদন্তকারী সংস্থাগুলির এই লাগাতার সক্রিয়তার মাঝেই শনিবার সকাল থেকে ভোট-পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত তৃণমূল কর্মী ও নেতাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কর্মসূচি বজায় রেখেছেন অভিষেক। এদিন সকালেই তিনি বেলেঘাটায় নিহত এক তৃণমূলকর্মীর পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়ান এবং পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। এরপর আরও কয়েকটি জায়গায় তাঁর পরিদর্শনে যাওয়ার কর্মসূচি রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার