ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর এলাকার বাসিন্দা খোকন চন্দ্র দাস পেশায় ছিলেন ওষুধ ব্যবসায়ী। পাশাপাশি তিনি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্ট হিসেবেও কাজ করতেন। স্থানীয়দের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন শান্ত, ভদ্র ও পরিশ্রমী মানুষ হিসেবে। বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয়।
টানা তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর বার্ন ইউনিটে মৃত্যু হয় খোকন চন্দ্র দাসের।
এই মৃত্যু আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে, কারণ এর আগেও সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর একাধিক সহিংস হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি আরেক হিন্দু নাগরিককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। খোকন দাসের মৃত্যু সেই আশঙ্কাকেই আরও জোরালো করল বলে মনে করছেন সমাজের বিভিন্ন মহল।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
খোকন চন্দ্র দাসের মৃত্যুর খবরে কনেশ্বর এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোক ও আতঙ্কের ছায়া। একের পর এক এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে প্রশাসন কতটা কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা নেয়, সেদিকেই এখন নজর স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে গোটা এলাকার মানুষের।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন