Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Mithun Chakraborty: বাংলার ফুটবলে কি ফিরবে পুরনো 'জোশ’? ১৫ বছর পর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে ময়দানে মিঠুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Mithun Chakraborty: বাংলার ফুটবলে কি ফিরবে পুরনো 'জোশ’? ১৫ বছর পর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে ময়দানে মিঠুন
ছবি সংগৃহীত

বাংলার ফুটবলে ঘিরে একসময় যে উন্মাদনা ছিল, তা যেন ধীরে ধীরে ফিকে হয়েছে। এবার সেই পুরনো ‘জোশ’ই ফিরিয়ে আনতে চান মিঠুন চক্রবর্তী। দীর্ঘ ১৫ বছর আগে পরিকল্পনা শুরু হলেও বাস্তবায়ন হয়নি। তাই এবার নতুন করে ‘বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমি’ তৈরির কাজে এগিয়ে এলেন বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা। সোমবার নিউ টাউনে প্রাক্তন ফুটবলারদের সঙ্গে নিয়ে এই উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন তিনি।


মিঠুনের কথায়, “আগে ১৫ বছর ধরে জমির জন্য চেষ্টা করেও পাইনি। এখন সময় বদলেছে। সরকার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। তাই আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্নটা এ বার বাস্তবায়ন করতে চাই।” বাংলা থেকে প্রতিভাবান ফুটবলার উঠে আসার সংখ্যা কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মিঠুন। তিনি বলেন, “এখন বাংলা থেকে সেভাবে ফুটবলার উঠে আসছে না। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলেও হাতে গোনা কয়েকজন বাঙালি ফুটবলার খেলছেন। আমাদের লক্ষ্য বাংলার প্রতিভা খুঁজে বার করা।” সেই লক্ষ্যেই শুধু কলকাতা বা শহরাঞ্চল নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলা এমনকী পাহাড়ি এলাকাগুলি থেকেও প্রতিভা বাছাই করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৬০ জন ফুটবলারকে নিয়ে অ্যাকাডেমির পথচলা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে শুধু প্রতিভা খুঁজে বের করলেই তো হবে না, দীর্ঘদিন অ্যাকাডেমি চালানোর জন্য প্রয়োজন আর্থিক স্থায়িত্বও। মিঠুনের কথায়, “আমরা ইতিমধ্যেই এই অ্যাকাডেমির জন্য ১ কোটি টাকা তুলেছিলাম। সেই টাকা আমাদের কাছে আছে। আমার লক্ষ্য অ্যাকাডেমিকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা। প্রথমে ১ কোটি টাকাকে ৪ কোটি করতে চাই। যাতে অ্যাকাডেমি চালাতে কোনও সমস্যা না হয়।” এই প্রকল্প সফল করতে এআইএফএফ, আইএফএ এবং রাজ্য সরকারকেও এগিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। 


অ্যাকাডেমিতে ফুটবলার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোনওরকম সুপারিশ বা প্রভাব খাটানোর সুযোগ থাকবে না বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মিঠুন। তিনি বলন, “আমাদের অ্যাকাডেমিতে কোনও সুপারিশ চলবে না। যোগ্যতার ভিত্তিতেই ফুটবলাররা সুযোগ পাবে।” পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্তরে খেলা ফুটবলারদের নিয়ে আলাদা একটি স্কাউটিং টিম তৈরির কথাও ভাবা হয়েছে।

বিষয় : Football Mithun Chakraborty

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Mithun Chakraborty: বাংলার ফুটবলে কি ফিরবে পুরনো 'জোশ’? ১৫ বছর পর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে ময়দানে মিঠুন

প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
বাংলার ফুটবলে ঘিরে একসময় যে উন্মাদনা ছিল, তা যেন ধীরে ধীরে ফিকে হয়েছে। এবার সেই পুরনো ‘জোশ’ই ফিরিয়ে আনতে চান মিঠুন চক্রবর্তী। দীর্ঘ ১৫ বছর আগে পরিকল্পনা শুরু হলেও বাস্তবায়ন হয়নি। তাই এবার নতুন করে ‘বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমি’ তৈরির কাজে এগিয়ে এলেন বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা। সোমবার নিউ টাউনে প্রাক্তন ফুটবলারদের সঙ্গে নিয়ে এই উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন তিনি।মিঠুনের কথায়, “আগে ১৫ বছর ধরে জমির জন্য চেষ্টা করেও পাইনি। এখন সময় বদলেছে। সরকার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। তাই আমার দীর্ঘদিনের স্বপ্নটা এ বার বাস্তবায়ন করতে চাই।” বাংলা থেকে প্রতিভাবান ফুটবলার উঠে আসার সংখ্যা কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মিঠুন। তিনি বলেন, “এখন বাংলা থেকে সেভাবে ফুটবলার উঠে আসছে না। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলেও হাতে গোনা কয়েকজন বাঙালি ফুটবলার খেলছেন। আমাদের লক্ষ্য বাংলার প্রতিভা খুঁজে বার করা।” সেই লক্ষ্যেই শুধু কলকাতা বা শহরাঞ্চল নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলা এমনকী পাহাড়ি এলাকাগুলি থেকেও প্রতিভা বাছাই করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৬০ জন ফুটবলারকে নিয়ে অ্যাকাডেমির পথচলা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।তবে শুধু প্রতিভা খুঁজে বের করলেই তো হবে না, দীর্ঘদিন অ্যাকাডেমি চালানোর জন্য প্রয়োজন আর্থিক স্থায়িত্বও। মিঠুনের কথায়, “আমরা ইতিমধ্যেই এই অ্যাকাডেমির জন্য ১ কোটি টাকা তুলেছিলাম। সেই টাকা আমাদের কাছে আছে। আমার লক্ষ্য অ্যাকাডেমিকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা। প্রথমে ১ কোটি টাকাকে ৪ কোটি করতে চাই। যাতে অ্যাকাডেমি চালাতে কোনও সমস্যা না হয়।” এই প্রকল্প সফল করতে এআইএফএফ, আইএফএ এবং রাজ্য সরকারকেও এগিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। অ্যাকাডেমিতে ফুটবলার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোনওরকম সুপারিশ বা প্রভাব খাটানোর সুযোগ থাকবে না বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মিঠুন। তিনি বলন, “আমাদের অ্যাকাডেমিতে কোনও সুপারিশ চলবে না। যোগ্যতার ভিত্তিতেই ফুটবলাররা সুযোগ পাবে।” পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্তরে খেলা ফুটবলারদের নিয়ে আলাদা একটি স্কাউটিং টিম তৈরির কথাও ভাবা হয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত