জগন্নাথদেবের এক ঝলক দর্শন আর রথের রশি ছোঁয়ার আশায় প্রতিবছরের মতো এ বারও লক্ষ লক্ষ ভক্তের ঢল নেমেছে পুরীতে। সেই ভিড়ের মধ্যেই ঘটে গেল বিপত্তি। রথযাত্রার দিন ভিড়ের চাপ, তীব্র গরম এবং হুড়োহুড়ির জেরে অসুস্থ হয়ে পড়লেন অন্তত ৩৩ জন পুণ্যার্থী। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:10995]বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পুরীর শ্রীমন্দির চত্বর এবং বড়দণ্ড এলাকায় উপচে পড়া ভিড় ছিল। জগন্নাথ, বলভদ্র এবং সুভদ্রাকে রথে তোলার সময় দর্শনার্থীদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ তৈরি হয়। সেই সময়েই অনেকেই অসুস্থ বোধ করেন। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ ভক্তই শ্বাসকষ্ট, ডিহাইড্রেশন, অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং ভিড়ের চাপে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও, বাকিদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:10996]রথযাত্রাকে ঘিরে এ বছর আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছিল ওডিশা সরকার। মন্দির চত্বর জুড়ে মোতায়েন ছিল বিপুল সংখ্যক পুলিশ, চিকিৎসক দল, দমকল এবং উদ্ধারকারী বাহিনী। জরুরি পরিস্থিতির জন্য বিশেষ উদ্ধারপথও তৈরি রাখা হয়েছিল। প্রশাসনের দাবি, দ্রুত উদ্ধার ব্যবস্থা থাকায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এ বারও দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ ভক্ত পুরীতে এসে জড়ো হয়েছেন। জগন্নাথদেব, বলভদ্র এবং সুভদ্রার গুণ্ডিচা মন্দির যাত্রাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ। তবে সেই আবেগের মধ্যেই নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের তরফে ভক্তদের ধৈর্য বজায় রাখার, নির্দিষ্ট পথ ব্যবহার করার এবং কোনও অসুস্থতা অনুভব করলে দ্রুত নিকটবর্তী মেডিক্যাল ক্যাম্পে যোগাযোগ করার আবেদন জানানো হয়েছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার