ভোট-প্রচারের ভাষণকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হল। উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে শুক্রবার তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছয় সিআইডির একটি দল।[TECHTARANGA-POST:9908]সূত্রের খবর, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারপর্বে একাধিক সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কিছু বক্তব্যকে কেন্দ্র করে অভিযোগ দায়ের করা হয়। সমাজকর্মী রাজীব সরকারের অভিযোগের ভিত্তিতে বিধাননগর উত্তর সাইবার ক্রাইম থানায় এফআইআর নথিভুক্ত হয়। অভিযোগে দাবি করা হয়, নির্বাচনী প্রচারে দেওয়া কিছু মন্তব্য জনশৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে।সেই মামলার তদন্তভার বর্তমানে সিআইডির হাতে রয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবেই আজ কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, তাঁকে নোটিস দেওয়া এবং তদন্ত সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য জানাতেই সিআইডির এই পদক্ষেপ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিরোধীদের দাবি, নির্বাচনী মঞ্চ থেকে দেওয়া বক্তব্যের জবাব আইনের পথেই হওয়া উচিত। অন্যদিকে তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, ভোট-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই বিরোধী নেতাদের নিশানা করা হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:9904]প্রসঙ্গত, সই জালিয়াতি মামলায় অবশেষে সিআইডির মুখোমুখি হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ১, ৮ ও ৯ জুন হাজিরার নোটিস পেলেও তদন্তকারীদের সামনে উপস্থিত হননি তিনি। এরপর হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদন করেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৌশিক চন্দ তদন্তে সহযোগিতার শর্তে সুরক্ষার কথা জানিয়ে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ভবানীভবনে হাজিরার নির্দেশ দেন। দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরে প্রথমে কালীঘাটের বাড়িতে যান অভিষেক। পরে বিকেল ৫টা ৪৯ মিনিট নাগাদ ভবানীভবনে পৌঁছন। সেখানে দীর্ঘক্ষণ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি। ভবানীভবনে যাওয়ার পথে তাঁকে ঘিরে বিরোধীদের বিক্ষোভ ও স্লোগানও শোনা যায়।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার