Hidden Stories (বাংলা)

প্রাক্তন পুলিশকর্তার বাড়িতে এবার পুলিশ! ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে হুমায়ুনকে তলব শেক্সপিয়র সরণি থানার

কলকাতা: ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডের জল গড়িয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত। তার মধ্যেই এবার রাজ্য রাজনীতির জল আরও ঘোলা করে প্রাক্তন আইপিএস তথা ডেবরার তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের কসবার বাসভবনে হাজির হল বিশাল পুলিশ বাহিনী। রবিবার সাতসকালে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে গিয়ে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থানায় হাজিরা দেওয়ার আইনি নোটিস ধরিয়ে এসেছেন।জানা গিয়েছে, ২৭ আগস্ট ক্যামাক স্ট্রিটে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে একটি বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে তীব্র ধুন্ধুমারের সৃষ্টি হয়। পুরসভা ও পুলিশকর্মীদের ঢুকতে গেলে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে একপ্রস্থ ধস্তাধস্তি বাধে। অভিযোগ, কলার ধরে পুলিশকর্মীদের মারধর করা হয় এবং বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী সিঁড়িতে পড়ে যান। সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশ হেনস্তার অভিযোগে এই ঘটনায় যুক্ত থাকার নাম ওঠে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন, পুরপ্রতিনিধি বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ও হুমায়ুন কবীরের।রবিবার সকালে কসবার বাড়িতে পুলিশ পৌঁছালেও বেশ কিছুক্ষণ ডাকাডাকি সত্ত্বেও দরজা খোলেননি হুমায়ুন। শেষমেশ ভেতর থেকে এক কর্মী বেরিয়ে এলে তাঁর হাতেই ৯ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় শেক্সপিয়ার সরণি থানায় হাজিরার সমন ধরানো হয়। এর আগেও দু’বার নোটিস নিয়ে গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল পুলিশকে। তবে এ দিন নোটিস গ্রহণ করে ওই কর্মী নিশ্চিত করেন, নির্দিষ্ট দিনেই বিধায়ক থানায় হাজিরা দেবেন। ঘটনাচক্রে, মঙ্গলবারই এই একই মামলায় ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ডেরেক ও'ব্রায়েনকে।অন্যদিকে, এই ঘটনার পর থেকেই একের পর এক নোটিসে কোণঠাসা ক্যামাক স্ট্রিট। পুরসভা ভবন খালি করার নোটিস জারি করার পর একই পথে হেঁটেছে রাজ্য দমকল বিভাগও। গত ২৫ আগস্ট তৃণমূলের কার্যালয়টি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খালি করার জন্য বাড়ির মালিক নোটিস দিলে, শনিবার তাতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয় কলকাতার সিটি সিভিল কোর্ট। তবে আদালতের এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।দমকল বিভাগের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই ভবনের সপ্তম ও অষ্টম তলার পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। যে কোনো মুহূর্তে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকায় নতুন অগ্নিনির্বাপক শংসাপত্র (NOC) না পাওয়া পর্যন্ত ওই অংশে তৃণমূলের কার্যালয় হিসেবে কোনো কাজ চালানো যাবে না। আইনজীবী মহলের মতে, সিভিল কোর্টের স্থগিতাদেশ সত্ত্বেও দমকলের এই কঠোর অবস্থানের জেরে আপাতত ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসটি পুরোপুরি ব্যবহারে চরম আইনি জটিলতা তৈরি হলো।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

প্রাক্তন পুলিশকর্তার বাড়িতে এবার পুলিশ! ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে হুমায়ুনকে তলব শেক্সপিয়র সরণি থানার