Vaibhav Sooryavanshi playing XI: অন্যের চোটের অপেক্ষা কেন? প্রথম একাদশে সুযোগ পেতে কেন ব্রাত্যই রাখা হচ্ছে বৈভব কে?
ক্রাইস্টচার্চ: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত। ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলে ওভালে শনিবার সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। কিন্তু এই ম্যাচের আগে ভারতীয় ক্রিকেট মহলে সবচেয়ে বড় চর্চার বিষয়, কেন রিজার্ভ বেঞ্চেই কাটাতে হচ্ছে প্রতিভাবান তরুণ বৈভব সূর্যবংশীকে? কেন নিজের যোগ্যতায় নিয়মিত প্রথম একাদশে জায়গা পাওয়ার বদলে তাঁকে সতীর্থের চোট বা দুর্ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে থাকতে হচ্ছে?ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর কিউইদের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেও মাঠের বাইরেই বসিয়ে রাখা হয়েছিল বৈভবকে। ওপেনিং পজিশনে অভিষেক শর্মা এবং সঞ্জু স্যামসনের মতো তারকারা ধারাবাহিক রান করায় অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ও কোচ গৌতম গম্ভীর সাফ জানিয়েছিলেন, বৈভবকে এখনই সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয়। অধিনায়কের যুক্তি ছিল, দলের বাইরে থেকে এই বিদেশি কন্ডিশনগুলো কাছ থেকে দেখলে ভবিষ্যতে উপকৃত হবে বৈভব। কিন্তু এই তত্ত্ব মানতে নারাজ ক্রিকেটপ্রেমী ও বিশেষজ্ঞদের একাংশ। প্রশ্ন উঠছে, দলে ধারাবাহিকতা থাকলেও কেন এই তরুণ সেনসেশনকে অন্য পজিশনে বা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না? কেন তবে বারবার অন্যের চোট বা শারীরিক সমস্যার জন্যই তাঁর নাম প্রথম একাদশের আলোচনায় উঠে আসছে?অবশ্য ভাগ্যের ফেরে এবার হয়তো সেই সুযোগ চলে আসছে তরুণ তুর্কির সামনে। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে খেলার সময় ডান পায়ের কুচকিতে (অ্যাডাক্টর স্ট্রেন) চোট পেয়েছেন উইকেটকিপার-ব্যাটার ইশান কিষান। বিসিসিআইয়ের মেডিকেল দল ও ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক জানিয়ে দিয়েছেন, ইশানের এই চোটের কারণে দ্বিতীয় ম্যাচে তাঁর খেলা প্রায় অসম্ভব। আর ইশান না খেললে তিন নম্বর পজিশনে বা প্রথম একাদশে বৈভবের ঢোকার রাস্তা প্রশস্ত হতে পারে। ব্যাটিং কোচ কোটাকও সাংবাদিক বৈঠকে স্বীকার করেছেন, বৈভবই এই মুহূর্তে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী।চোটের কবলে পড়া সতীর্থের বদলি হিসেবে বৈভবের মতো প্রতিভাবান টিনএজারের সুযোগ পাওয়া দলের গভীরতা বাড়ালেও, মূল প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে। বৈভব কি তবে শুধুই ‘বিকল্প’ ক্রিকেটার হিসেবে দলে ব্রাত্য থাকবেন? নিজের যোগ্যতায় প্রথম একাদশে স্থায়ী জায়গা পেতে তাঁকে কি তবে এভাবেই প্রতিমুহূর্তে অন্য কারও দুর্ঘটনার জন্য অপেক্ষা করতে হবে? শনিবারের ক্রাইস্টচার্চের বাইশ গজে নামার সুযোগ পেলেও, টিম ম্যানেজমেন্টের এই ‘সেকেন্ড থট’ বা দ্বিতীয় ভাবনার নীতি নিয়ে গুঞ্জন কিন্তু থামছে না।