নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ার রণক্ষেত্রে যখন আগুন জ্বলছে, তখনই ভারতের জন্য স্বস্তির বার্তা এল তেহরান থেকে। ইরানের বিশেষ অনুমতিতে উত্তাল হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতের পথে রওনা দিল দুটি বিশাল এলপিজিবোঝাই ট্যাঙ্কার। ‘BW ELM’ এবং ‘BW TYR’ নামে এই জাহাজ দুটিতে রয়েছে ৯০ হাজার টনেরও বেশি রান্নার গ্যাস। শনিবারই এই ট্যাঙ্কার দুটি হরমুজ সীমা পার করেছে বলে সূত্রের খবর।[TECHTARANGA-POST:7661]ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্ট জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি। চিন, রাশিয়া এবং পাকিস্তানের পাশাপাশি ভারতের মতো ‘বন্ধু’ দেশগুলির জাহাজ চলাচলে ছাড় দিয়েছে ইরান প্রশাসন। তবে, নিরাপত্তার খাতিরে এবং ইরানি নৌসেনা যেন সহজেই চিনতে পারে, তাই ভারতীয় জাহাজগুলিকে মূল পথের বদলে কিছুটা ‘ঘুরপথে’ যাতায়াত করতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তেল ও গ্যাস নিয়ে ভারতের মোট চারটি জাহাজ নিরাপদে এই জলপথ পার হয়েছে।হরমুজ সংলগ্ন এলাকায় এখনও ভারতের প্রায় ২০টি জাহাজ আটকে রয়েছে বলে খবর। যে জাহাজগুলি খালি ছিল, সেগুলিতে দ্রুত এলপিজি বোঝাই করার কাজ চলছে। ইরানের সহায়তায় এই জাহাজগুলি একে একে ভারতে পৌঁছলে দেশব্যাপী জ্বালানি সঙ্কটের সুরাহা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:7660]বর্তমানে ভারতে এলপিজি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড়সড় টান পড়েছে। সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা বলছে - এখন রান্নার গ্যাস বুকিং করতে হলে অন্তত ২৫ দিন আগে আবেদন করতে হচ্ছে। বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের জোগানও অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে আমজনতার মনে জোগান বন্ধ হওয়ার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ৯০ হাজার টন গ্যাস কয়েক দিনের মধ্যেই ভারতীয় বন্দরে এসে পৌঁছলে গৃহস্থালীর সিলিন্ডার সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে, সম্পূর্ণ সঙ্কট কাটাতে হরমুজে আটকে থাকা বাকি ২০টি জাহাজের দ্রুত প্রত্যাবর্তনই এখন সবথেকে জরুরি।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার