Hidden Stories (বাংলা)

বিশ্বসেরার তকমা বাংলার চালে! রাষ্ট্রপুঞ্জের ‘হেরিটেজ’ স্বীকৃতি পেল গোবিন্দভোগ-সহ তিন সুগন্ধি ধান

কলকাতা: বাঙালির রসনা তৃপ্তির পর এবার বিশ্বজয় করল বাংলার চাল। রাষ্ট্রপুঞ্জের খাদ্য ও কৃষি সংগঠন (FAO)-এর তরফে পশ্চিমবঙ্গের তিন বিখ্যাত সুগন্ধি চাল— গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচূড়-কে দেওয়া হল ‘খাদ্য-সংস্কৃতির হেরিটেজ’ তকমা। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলির জন্য রাজ্য সরকারের বিশেষ প্রকল্প ‘মাটির সৃষ্টি’। বুধবার সমাজমাধ্যমে এই জোড়া সাফল্যের খবর ভাগ করে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।[TECHTARANGA-POST:6598]মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই অনন্য সম্মান তিনি উৎসর্গ করেছেন বাংলার গ্রামবাংলার মানুষ এবং কঠোর পরিশ্রমী কৃষকদের। মূলত বর্ধমান, বাঁকুড়া-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির গর্ব ‘গোবিন্দভোগ’, উত্তর দিনাজপুরের ‘তুলাইপাঞ্জি’ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ‘কনকচূড়’—এই তিন প্রকার চাল এখন থেকে আন্তর্জাতিক হেরিটেজের মর্যাদা পাবে।শুধুমাত্র চালই নয়, রাষ্ট্রপুঞ্জের বিশেষ নজর কেড়েছে রাজ্য সরকারের ‘মাটির সৃষ্টি’ প্রকল্পটি। ২০২০ সালে পশ্চিমাঞ্চলের রুক্ষ ও অনাবাদি জমিকে চাষযোগ্য করে তুলতে এই প্রকল্প চালু করেছিল সরকার। ভূমি, সেচ এবং পঞ্চায়েত দফতরের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রুক্ষ জমিতে পুকুর খনন ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সেচের ব্যবস্থা করে ফসল ফলানো সম্ভব হয়েছে। এই উদ্যোগকে প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে একটি শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জ।মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পোস্টে রাষ্ট্রপুঞ্জের ডিরেক্টর জেনারেলের পাঠানো শংসাপত্রগুলি শেয়ার করে লিখেছেন, “এটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি সম্মান। আমাদের কৃষকদের নিরলস পরিশ্রম আজ বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃতি পেল।” এই জোড়া সাফল্যের ফলে বাংলার কৃষিপণ্য বিদেশের বাজারে আরও বেশি গুরুত্ব পাবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

বিশ্বসেরার তকমা বাংলার চালে! রাষ্ট্রপুঞ্জের ‘হেরিটেজ’ স্বীকৃতি পেল গোবিন্দভোগ-সহ তিন সুগন্ধি ধান

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার