Hidden Stories (বাংলা)

আদালতেই ঋণ দেওয়ার নামে মহা জালিয়াতি! কালো কোট পরা দুই তরুণী ও যুবককে ঘিরে হুলস্থুল বনগাঁয়

বনগাঁ: গায়ে কালো কোট, হাতে নথিপত্র—প্রথম দেখায় বোঝার উপায় নেই এরা আসল আইনজীবী নাকি প্রতারক চক্রের পান্ডা! বনগাঁ মহকুমা আদালত চত্বরে খোদ উকিল সেজে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের থেকে লাখ লাখ টাকা হাতানোর অভিযোগে মঙ্গলবার তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবক ও দুই যুবতীকে হাতেনাতে পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার বিকেলে বনগাঁ আদালত চত্বরে আচমকাই কালো কোট পরিহিত তিনজনের মধ্যে তুমুল বচসা শুরু হয়। নিজেদের মধ্যে এই বিবাদ দেখেই সন্দেহ হয় আদালতের অন্যান্য আইনজীবীদের। তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকেন অভিযুক্তরা। সন্দেহ গাঢ় হওয়ায় তাঁদের আটকে রাখেন স্থানীয় আইনজীবীরা। ঠিক সেই সময়ই আদালত চত্বরে এসে পৌঁছান প্রতারণার শিকার হওয়া বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রকাশ্যে আসে শংকর ঘোষ নামের ওই অভিযুক্ত যুবকের আসল কীর্তি।অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিয়ে নিজেকে বনগাঁ মহকুমা আদালতের আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল শংকর। সহজ শর্তে মোটা অঙ্কের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অগ্রিম কয়েক হাজার টাকা হাতিয়ে নিত সে। মঙ্গলবার ঋণের ভুয়ো নথিপত্র ও নোটারি করানোর অজুহাতে একাধিক ব্যক্তিকে আদালতে ডেকে দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখা হয়। বীরভূম থেকে আসা এক প্রতারিত ব্যক্তি ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানান, বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে কোর্ট এগ্রিমেন্ট করে লোন করিয়ে দেওয়ার নামে অনলাইনে তাঁর থেকে ৪০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। এমনকি মঙ্গলবারও আরও ছয়জনের কাছ থেকে মাথাপিছু ২০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যদিও আর্থিক লেনদেনের এই নির্দিষ্ট পরিমাণের বিষয়টি এখনও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুয়ো আইনজীবী সন্দেহে তিনজনকে আটক করে নিয়ে যায় এবং এই প্রতারণা চক্রের শিকড় কত দূর ছড়িয়ে তা খতিয়ে দেখতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।[TECHTARANGA-POST:12449]হিডেন স্টোরিজ নিউজ

আদালতেই ঋণ দেওয়ার নামে মহা জালিয়াতি! কালো কোট পরা দুই তরুণী ও যুবককে ঘিরে হুলস্থুল বনগাঁয়