কলকাতাঃ ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসের বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। কলকাতা হাই কোর্টে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ চেয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু শুক্রবার সেই আবেদনে হস্তক্ষেপ করেনি আদালত। যেহেতু ইতিমধ্যেই হোর্ডিং খুলে ফেলা হয়েছে, তাই নতুন করে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেই জানানো হয়েছে। [TECHTARANGA-POST:12083]ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরের বাইরে থাকা বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে। পুরসভার কর্মী ও পুলিশের সঙ্গে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বচসা ও ধস্তাধস্তি হয়। ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার সকালে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। এদিন সকালে বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর বেঞ্চে বিষয়টি উল্লেখ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। তিনি জানান, গতকাল বিকেল ৪টে ৪৫ মিনিট নাগাদ কলকাতা পুরসভার কর্মীরা তৃণমূলের অফিসে গিয়ে বিলবোর্ড ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করেন। বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরী প্রথমে মামলার নম্বর নিয়ে আসতে বলেন। মামলা শুনানিতে ওঠার পর অবশ্য তৃণমূলের চাওয়া অন্তর্বর্তী সুরক্ষা মেলেনি। আদালতের পর্যবেক্ষণ, সংশ্লিষ্ট হোর্ডিং ইতিমধ্যেই খুলে ফেলা হয়েছে। তাই নতুন করে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।[TECHTARANGA-POST:12065]প্রসঙ্গত, ক্যামাক স্ট্রিটে তিন হাজার স্কোয়ার ফুটের বেশি জায়গায় রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তর। দীর্ঘদিন ধরে ওই অফিসের মাথায় ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ লেখা একটি বড় সাইনবোর্ড ছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেটিই খুলতে যায় কলকাতা পুরসভা। পুরসভার কর্মীরা বিলবোর্ড খুলতে গেলে ঘটনাস্থলে উত্তেজনা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত বিলবোর্ড খুলে ফেলে পুরসভা। পরে ফের তৃণমূলের তরফে সেখানে বিলবোর্ড লাগানো হয় বলে জানা যায়। ওই ঘটনায় পুলিশ ও পুরসভার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।