তারাতলা ট্র্যাজেডি: “বাঁচানোর বদলে রিল!” হাড়হিম অভিজ্ঞতা শোনালেন শ্রমিক
তারাতলা কাণ্ডের (Taratala Factory Collapse) প্রায় ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। ধসে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকা অনেক শ্রমিক ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। তাঁদেরই একজন মানিক চাঁদ, যিনি বুধবারের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন।একই পরিবারের একাধিক মহিলা কি আবেদন করতে পারবেন অন্নপূর্ণা যোজনায়?হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর মানিক চাঁদ অভিযোগ করেন, বিপর্যয়ের মুহূর্তে আশপাশে থাকা কিছু মানুষ সাহায্যের বদলে ভিডিও বানাতে ব্যস্ত ছিলেন। তাঁর কথায়, “উপরের দিকে তাকালাম, তারপর একেবারে নিচে। আটকে পড়ে যখন চিৎকার করছি বাঁচার জন্য তখন এলাকার একাংশ উদ্ধারের চেষ্টা না করে রিল বানাচ্ছিল!” মানিক আরও জানান, দুর্ঘটনার সময় তিনি এবং তাঁর তিন ভাই সহ প্রায় ৪০-৪৫ জন শ্রমিক তিনতলায় ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন। [TECHTARANGA-POST:10329]হঠাৎ করেই পুরো কাঠামো ভেঙে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে সবাই আটকে পড়েন। তিনি বলেন, “আমরা চিৎকার করছিলাম বাঁচার জন্য। কেউ যদি এসে উদ্ধার করে…। কিছু লোকজন সঙ্গে সঙ্গে এলেও প্রথমে উদ্ধার না করে ভিডিও করছিল। পরে কিছু মানুষ এগিয়ে এসে যাঁদের হাত বেরিয়েছিল তাঁদের টেনে বের করেন।”[TECHTARANGA-POST:10318]ঘটনার পর নির্মাণে একাধিক ত্রুটি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। সরকার সংশ্লিষ্ট নির্মাণ সংস্থা ও আর্কিটেক্টকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে মানিক চাঁদের অভিযোগ, কাজের পদ্ধতিতেই ছিল গুরুতর গলদ। তিনি বলেন, “প্রথমে তিনতলায় ঢালাই হচ্ছিল। এরকমভাবে কোথাও কাজ হয় না। এমন নির্মাণ আগে দেখিনি।” তবে শ্রমিকদের দাবি, সব জানার পরও তাঁদের কাজ করতে হত পেটের দায়ে। মানিকের কথায়, “নির্দেশ মেনে কাজ তো করতে হবে, কারণ এটা পেটের বিষয়। উপার্জন না হলে খাব কী!”হিডেন স্টোরিজ নিউজ