করোনার পর এবার কি হান্টাভাইরাস? আটলান্টিকের জাহাজে ভারতীয়দের শরীরে সংক্রমণ, ত্রাসে ১২ দেশ!
আটলান্টিক মহাসাগরের নীল জলরাশির বুকে এখন ত্রাসের নাম 'হান্টাভাইরাস'। আর্জেন্টিনা থেকে রওনা দেওয়া প্রমোদতরী 'এমভি হন্ডিয়াস'-এ আচমকাই ছড়িয়ে পড়া এই মারণ ভাইরাসের থাবায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩ যাত্রী, আর সংক্রমণের শিকার হয়েছেন অন্তত ৮ জন। উদ্বেগের বিষয় হলো, আক্রান্তদের তালিকায় রয়েছেন দুই ভারতীয় ক্রু সদস্যও। যদিও স্পেনের ভারতীয় দূতাবাস আশ্বস্ত করেছে যে, ওই দুই ভারতীয় বর্তমানে উপসর্গহীন এবং নেদারল্যান্ডে তাঁদের নিভৃতবাসে রাখা হয়েছে। তবে ফরাসি প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ফ্রান্সের যাত্রীদেরও কড়া নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৬ এপ্রিল প্রথম সংক্রমণের খবর মেলে এবং এরপর দ্রুত মৃত্যুর ঘটনা ঘটায় নড়েচড়ে বসেছে আন্তর্জাতিক মহল।করোনার স্মৃতি উসকে দিলেও হান্টাভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার ধরন কিছুটা আলাদা। এটি মূলত ইঁদুর বা এই জাতীয় প্রাণীর মূত্র, লালা বা মল থেকে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। বিশেষ করে বদ্ধ বা নোংরা জায়গা পরিষ্কার করার সময় বাতাসের মাধ্যমে এই ভাইরাস নিঃশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসে ঢুকে পড়ে সংক্রমণ ঘটায়। যদিও কোভিডের মতো এটি ঝড়ের গতিতে ছড়ায় না, তবে এর মারণক্ষমতা রীতিমতো আতঙ্ক তৈরি করেছে। ইতিমধ্যে আমেরিকা, ব্রিটেন, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের ১২টি দেশকে কড়া সতর্কতা জারি করেছে হু। ভারতে এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসের হদিস না মিললেও বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না। ইঁদুরবাহিত এই রোগ অত্যন্ত নীরবে শরীরে থাবা বসায় বলে সাধারণ জ্বর বা সর্দি-কাশিকেও অবহেলা না করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের আনাগোনার ফলেই এই সংক্রমণ অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা রুখতে এখন তৎপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।[TECHTARANGA-POST:8968]হিডেন স্টোরিজ নিউজ