Durga Puja 2026: প্যান্ডেল হপিংয়ের ফাঁকে জমিয়ে খাওয়াদাওয়া? পুজোয় খাবার বাছাইয়ের এই ভুলগুলিই ডেকে আনতে পারে বিপদ
পুজো মানেই প্যান্ডেল হপিং, জমিয়ে আড্ডা আর ভরপুর খাওয়াদাওয়া। বাড়ির রান্না থেকে রেস্তরাঁর বিরিয়ানি, লুচি তরকারি থেকে রোল বাদ জায়না কোনওকিছুই। তার সঙ্গে যোগ হয় রাত জাগা আর সারাদিন ঘোরাঘুরি। ফলে পুজো শেষ হওয়ার আগেই অনেকের পেটের গোলমাল, গ্যাস-অম্বল বা ওজন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।[TECHTARANGA-POST:13157]কিন্তু তাই বলে পুজোয় ভালো-মন্দ খাওয়াদাওয়া ছেড়ে দেবেন? বরং একটু বরং একটু পরিকল্পনা করে খেলেই পছন্দের খাবার উপভোগ করা সম্ভব। পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, কোনও এক বেলায় যদি ভারী খাবার খান, অন্য বেলার খাবারটা তুলনায় হালকা রাখুন। সকালে জলখাবার হিসেবে পুজোর দিন লুচি খেতে ইচ্ছে হতেই পারে। তবে একসাথে অনেকগুলি লুচি খাওয়ার বদলে পরিমাণটা নিয়ন্ত্রণে রাখুন। পাশাপাশি প্রোটিন ও সব্জি রাখলে খাবারটা তুলনায় ভারসাম্যপূর্ণ হয়। যেমন আলুর তরকারির বদলে ফুলকপির তরকারি বা ডিমের কোনও পদ রাখতে পারেন।বিরিয়ানির ক্ষেত্রেও পরিমাণের দিকে নজর দেওয়া ভাল। পুরো প্লেট ভর্তি বিরিয়ানি খাওয়ার বদলে পরিমাণ কমিয়ে নিন। একই ভাবে রাতে রোল বা অন্য কোনও ভারী খাবার খেলে তার সঙ্গে আবার অতিরিক্ত খাবার যোগ না করাই ভাল। পুজোর সময় সবচেয়ে বড় ভুলগুলির একটি হল সারাদিন প্রায় কিছু না খেয়ে থাকার পর রাতে একসঙ্গে অনেকটা খেয়ে ফেলা। দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকার পর অতিরিক্ত মশলাদার খাবার খেলে গ্যাস, অম্বল কিংবা বুকজ্বালার সমস্যা বাড়তে পারে। [TECHTARANGA-POST:13095]বাইরে খাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে বাড়ির খাবার হালকা করুন। বরং সেদিন বাড়িতে ভাত বা রুটির পরিমাণ কমিয়ে ডাল, সব্জি বা ফলের মতো খাবার খান। যাঁদের আগে থেকেই অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে, তাঁদের আরও সতর্ক থাকা দরকার। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল পর্যাপ্ত জল খাওয়া। পুজোর ব্যস্ততায় অনেকেই জল খাওয়ার কথা ভুলে যান। দীর্ঘক্ষণ বাইরে থাকার ফলে শরীরে জলের ঘাটতি হলে ক্লান্তি ও অস্বস্তি বাড়তে পারে। খাবারের পর অতিরিক্ত মিষ্টি পানীয়ের বদলে জল বেছে নেওয়াই ভাল।