হায়দরাবাদ: দেশের বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর থেকে কমিয়ে ২১ বছর করা হোক! তরুণ প্রজন্মের মন জয় করতে এবার এক ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন প্রস্তাব পেশ করতে চলেছে তেলেঙ্গানার কংগ্রেস সরকার। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি সাফ জানিয়েছেন, যুবসমাজই দেশের প্রকৃত ভবিষ্যৎ। তাই দেশের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে এবার লোকসভা ও বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা অর্জনের বয়স কমানো জরুরি।বর্তমানে নিয়ম অনুযায়ী পঞ্চায়েত, পুরসভা বা স্থানীয় নির্বাচনে লড়াই করার ন্যূনতম বয়স ২১ বছর। তবে যেসব জনপ্রতিনিধি আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রাখেন, অর্থাৎ সাংসদ ও বিধায়ক হওয়ার ক্ষেত্রে বয়সের সীমা অন্তত ২৫ বছর হওয়া বাধ্যবাধক। এই নিয়মে আমূল বদল আনার দাবিতে সরব হয়েছেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী। রেবন্ত রেড্ডি ঘোষণা করেছেন, আগামী আগস্ট মাসের শুরুতেই তেলেঙ্গানা বিধানসভায় একটি বিশেষ অধিবেশন ডাকা হবে। সেখানেই ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বয়স কমিয়ে ২১ করার পক্ষে প্রস্তাব পাশ করিয়ে তা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পাঠানো হবে। বিষয়টিতে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন থাকায়, কেন্দ্র সরকারের ওপর চাপ তৈরি করতেই এই চাল চেলেছে হাত শিবির।রেবন্ত রেড্ডির যুক্তি, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশই 'জেন-জি' বা নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি, অথচ সংসদে তাদের প্রতিনিধিত্ব ১ শতাংশের থেকেও কম। যদি ২১ বছর বয়সে একজন তরুণ বা তরুণী কঠিন পরীক্ষা দিয়ে আইএএস কিংবা আইপিএস অফিসার হিসেবে দেশসেবা করতে পারেন, তবে তাঁরা কেন সরাসরি বিধায়ক, সাংসদ বা মন্ত্রী হতে পারবেন না? বিশ্বজুড়ে বহু দেশে ১৮ কিংবা ২১ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে উদাহরণ দেন তিনি। তাঁর স্পষ্ট আশ্বাস, ভবিষ্যতে রাহুল গান্ধী দেশের প্রধানমন্ত্রী হলে এই জেন-জি প্রজন্মের প্রতিনিধিকেই দেশের নতুন শিক্ষামন্ত্রী করার দায়িত্ব তিনি নিজে নেবেন।[TECHTARANGA-POST:11269]হিডেন স্টোরিজ নিউজ