Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

এনডিএ-তে ‘গ্র্যান্ড ওয়েলকাম’! মোদী-শাহর পাশে প্রথম সারিতে কাকলি, দিল্লিতে বিরাট রদবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬
এনডিএ-তে ‘গ্র্যান্ড ওয়েলকাম’! মোদী-শাহর পাশে প্রথম সারিতে কাকলি, দিল্লিতে বিরাট রদবদল
মোদী-শাহর পাশে প্রথম সারিতে কাকলি। ছবি-সংগৃহীত

নয়াদিল্লি: সবটা যেন হয়েও হচ্ছিল না, অবশেষে মঙ্গলবার সংসদে ‘মঙ্গল মিলন’ কর্মসূচির মাধ্যমে সেই বৃত্ত সম্পূর্ণ হল। শাসক শিবির এনডিএ-তে অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে ‘গ্র্যান্ড ওয়েলকাম’ জানানো হল তৃণমূলত্যাগী সাংসদদের গঠিত দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)-কে। অর্থাৎ অন্য কোনো দলে মিশে যাওয়া নয়, লোকসভার নতুন শক্তি হিসেবে এনডিএ-র শরিক পদমর্যাদা পেল এনসিপিআই। মঙ্গলবার এনডিএ-র এই হাইপ্রোফাইল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে একই প্রথম সারিতে বসে শীর্ষ নেতৃত্বের নজর কাড়েন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। পিছনের সারিতে আসন নেন শতাব্দীর রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, সায়নী ঘোষ ও শর্মিলা সরকারের মতো বিশিষ্ট সাংসদরা। এদিনের বৈঠকে নবগঠিত এই দলের নাম ধরে ধরে প্রতিটি সদস্যের আনুষ্ঠানিক পরিচয়পর্ব সারা হয় এবং পরে তাঁদের সকলের সঙ্গে আলাদা করে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূলের চরম ভরাডুবির পর একে একে ২০ জন সাংসদ ঘাসফুল শিবির ছেড়ে নতুন দল এনসিপিআই গঠন করেন। বিরোধী আসন ছেড়ে এনডিএ-কে সমর্থন জানানোর লক্ষ্যেই যে তাঁদের এই রাজনৈতিক পদক্ষেপ, তা আগেই পরিষ্কার করেছিলেন এই সাংসদরা। সংসদের চলতি বাদল অধিবেশনে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের জন্য আলাদা বসার আসন বরাদ্দ করলেও, এতদিন এনডিএ-তে তাঁদের অন্তর্ভুক্তির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া বাকি ছিল। মঙ্গলবারের বিশেষ বৈঠকে তাঁদের এনডিএ-র ‘নতুন শরিক’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে জোট সমীকরণকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হল।

বৈঠক শেষে দিল্লি দরবারের অভিজ্ঞতায় রীতিমতো আপ্লুত প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদরা। সংসদ ভবন থেকে বেরিয়ে বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় স্পষ্ট জানান, এই বৈঠক ছিল অত্যন্ত সুসংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ, যার অভিজ্ঞতা তাঁদের আগে কখনো ছিল না। একটি বিশেষ ডিজিটাল প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে আসন্ন বিলসমূহ এবং তার জনকল্যাণমুখী দিকগুলো নতুন শরিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়। শতাব্দী রায় আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজে এসে তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেছেন। মোদী-শাহর সান্নিধ্যে দিল্লির এই মেগা সমীকরণ আপাতত জাতীয় রাজনীতির অন্যতম প্রধান আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : NarendraModi AmitShah HiddenStoriesNews NCPI IndianPolitics DelhiPolitics NDAMeeting

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


এনডিএ-তে ‘গ্র্যান্ড ওয়েলকাম’! মোদী-শাহর পাশে প্রথম সারিতে কাকলি, দিল্লিতে বিরাট রদবদল

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: সবটা যেন হয়েও হচ্ছিল না, অবশেষে মঙ্গলবার সংসদে ‘মঙ্গল মিলন’ কর্মসূচির মাধ্যমে সেই বৃত্ত সম্পূর্ণ হল। শাসক শিবির এনডিএ-তে অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে ‘গ্র্যান্ড ওয়েলকাম’ জানানো হল তৃণমূলত্যাগী সাংসদদের গঠিত দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)-কে। অর্থাৎ অন্য কোনো দলে মিশে যাওয়া নয়, লোকসভার নতুন শক্তি হিসেবে এনডিএ-র শরিক পদমর্যাদা পেল এনসিপিআই। মঙ্গলবার এনডিএ-র এই হাইপ্রোফাইল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে একই প্রথম সারিতে বসে শীর্ষ নেতৃত্বের নজর কাড়েন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। পিছনের সারিতে আসন নেন শতাব্দীর রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, সায়নী ঘোষ ও শর্মিলা সরকারের মতো বিশিষ্ট সাংসদরা। এদিনের বৈঠকে নবগঠিত এই দলের নাম ধরে ধরে প্রতিটি সদস্যের আনুষ্ঠানিক পরিচয়পর্ব সারা হয় এবং পরে তাঁদের সকলের সঙ্গে আলাদা করে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূলের চরম ভরাডুবির পর একে একে ২০ জন সাংসদ ঘাসফুল শিবির ছেড়ে নতুন দল এনসিপিআই গঠন করেন। বিরোধী আসন ছেড়ে এনডিএ-কে সমর্থন জানানোর লক্ষ্যেই যে তাঁদের এই রাজনৈতিক পদক্ষেপ, তা আগেই পরিষ্কার করেছিলেন এই সাংসদরা। সংসদের চলতি বাদল অধিবেশনে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের জন্য আলাদা বসার আসন বরাদ্দ করলেও, এতদিন এনডিএ-তে তাঁদের অন্তর্ভুক্তির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া বাকি ছিল। মঙ্গলবারের বিশেষ বৈঠকে তাঁদের এনডিএ-র ‘নতুন শরিক’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে জোট সমীকরণকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হল।বৈঠক শেষে দিল্লি দরবারের অভিজ্ঞতায় রীতিমতো আপ্লুত প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদরা। সংসদ ভবন থেকে বেরিয়ে বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় স্পষ্ট জানান, এই বৈঠক ছিল অত্যন্ত সুসংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ, যার অভিজ্ঞতা তাঁদের আগে কখনো ছিল না। একটি বিশেষ ডিজিটাল প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে আসন্ন বিলসমূহ এবং তার জনকল্যাণমুখী দিকগুলো নতুন শরিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়। শতাব্দী রায় আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজে এসে তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেছেন। মোদী-শাহর সান্নিধ্যে দিল্লির এই মেগা সমীকরণ আপাতত জাতীয় রাজনীতির অন্যতম প্রধান আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত