ইরানের হাতে বন্দি মার্কিন পাইলট? ফের ধ্বংস অত্যাধুনিক F-35 যুদ্ধবিমান!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের মাটি থেকে আসা এক বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড় বিশ্ব রাজনীতি। তেহরানের দাবি, তারা আরও একটি মার্কিন F-35 বিমান ধ্বংস করেছে। শুধু তাই নয়, ওই বিমানের পাইলটকে জীবিত অবস্থায় বন্দি করার দাবিও করেছে ইরান।[TECHTARANGA-POST:7794]ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মধ্য ইরানে অনুপ্রবেশের সময় তাদের নিখুঁত নিশানায় ভেঙে পড়ে মার্কিন যুদ্ধবিমানটি। খাতাম আল-আনবিয়া সদর দফতরের মুখপাত্রের মতে, বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার পর ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। প্রথমে পাইলটের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হলেও, পরবর্তীতে ইরানি সংবাদমাধ্যম দাবি করে, পাইলট প্যারাশ্যুটের মাধ্যমে প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হন। কিন্তু, মাটিতে পা রাখতেই তাঁকে গ্রেফতার করে ইরানি সেনা।এমনকী, ভারতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসের পক্ষ থেকে সমাজমাধ্যমে ভিডিয়ো পোস্ট করে একে বড় সাফল্য হিসাবে বর্ণনাও করা হয়। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ইরান কারও সামনে মাথা নত করবে না এবং এটি তাদের ধ্বংস করা দ্বিতীয় F-35 বিমান।ইরানি সূত্রগুলির দাবি, বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার পর আমেরিকা বুঝতে পেরেছিল যে তাদের পাইলট জীবিত আছেন। তাঁকে উদ্ধারের জন্য একটি গোপন স্পেশাল অপারেশন চালানো হলেও ইরানি সেনার তৎপরতায় সেই উদ্ধারকাজ ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। যদিও আইআরজিসি (IRGC) আনুষ্ঠানিকভাবে এই উদ্ধার অভিযানের বিষয়ে মুখ খোলেনি।[TECHTARANGA-POST:7790]অন্যদিকে, ইরানের এই যাবতীয় দাবি স্রেফ ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড। এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে মার্কিন সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ইরানের এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাদের সমস্ত যুদ্ধবিমানই নিরাপদে এবং নির্দিষ্ট স্থানে রয়েছে। আমেরিকার বক্তব্য, এর আগেও ইরান এই ধরনের মনগড়া দাবি করেছে যা পরবর্তীতে মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে।এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে, যদি আমেরিকার দাবি সত্যি হয়, তাহলে ইরান যে ধ্বংসস্তূপের ছবি দেখাচ্ছে তা কীসের? আর যদি ইরানের দাবি সত্যি হয়, তাহলে দুই দেশের সম্পর্ক কি এবার সরাসরি যুদ্ধের দিকে মোড় নেবে?