Hidden Stories (বাংলা)

‘ইস্তফায় কী হবে, ওদের ফাঁসিতে ঝোলানো হোক!’ সন্তান হারিয়ে কান্নায় ভাঙলেন মা

নাগপুর: নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করলেও মেটেনি সন্তানহারা মায়ের বুকের হাহাকার। মন্ত্রী ইস্তফা দিলে কি আর আমার মেয়ে ফিরে আসবে?—এই প্রশ্ন তুলে এখন মেয়ের সুবিচারের দাবিতে পথে নেমেছেন নীলম চতুর্বেদী। নিটের প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা বাতিলের খবর সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হয়েছিল তাঁর ১৮ বছরের তরুণী কন্যা আকাঙ্খা। এবার ক্ষুব্ধ মা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, শুধু ইস্তফায় দায় এড়ানো যাবে না, এই প্রশ্নফাঁস চক্রে জড়িত চরম অপরাধীদের সরাসরি ফাঁসিকাঠে ঝোলাতে হবে।আদতে মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা চতুর্বেদী পরিবার মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতেই পাড়ি দিয়েছিল নাগপুরে। সেখানকার একটি নামী কোচিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়ে কঠোর পরিশ্রম করে নিটের প্রস্তুতি নিয়েছিল আকাঙ্খা। ৩ মে পরীক্ষা দেওয়ার পর সাড়ে ছশোর বেশি নম্বর পাওয়ার বিষয়ে যথেষ্ট আশাবাদী ও আত্মবিশ্বাসী ছিল সে। কিন্তু পরীক্ষা বাতিল হওয়ার খবর আসতেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে তরুণী। খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিয়ে তীব্র মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকা আকাঙ্খা গত ২০ মে চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে। আত্মহত্যার আগে লেখা শেষ চিঠিতে সে বাবা-মাকে লিখে যায়, প্রথমবার ভালো নম্বর পাওয়ার বিশ্বাস থাকলেও দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেওয়ার মতো সাহস ও মানসিক শক্তি আর তার অবশিষ্ট নেই।একমাত্র সন্তানের এমন করুণ পরিণতি মেনে নিতে না পেরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পুরোপুরি পঙ্গু হয়ে পড়েছেন আকাঙ্খার বাবা। মেয়ে বেঁচে থাকলে পরিবারের দায়িত্ব সামলে নিত, কিন্তু আজ এই কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে সংসার চলবে—তা ভেবে আকুল নীলম চতুর্বেদী। যদিও কেন্দ্র সরকার সম্প্রতি পাবলিক এক্সামিনেশন অ্যাক্টে সংশোধনী এনে সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেল ও ১ কোটি টাকা জরিমানার সংস্থান রেখেছে, কিন্তু নীলমের দাবি, এসব শাস্তি যথেষ্ট নয়। যারা হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর জীবন ও পরিবারকে ধ্বংস করল, তাদের একমাত্র সাজা হওয়া উচিত মৃত্যুদণ্ড।[TECHTARANGA-POST:11271]হিডেন স্টোরিজ নিউজ

‘ইস্তফায় কী হবে, ওদের ফাঁসিতে ঝোলানো হোক!’ সন্তান হারিয়ে কান্নায় ভাঙলেন মা