Hidden Stories (বাংলা)

৫০০ লাশের স্তূপে দাঁড়িয়েও ভারত-চিনের উদ্ধারকারী দলকে ঢুকতে দিল না নেপাল! নেপথ্যে কি তবে বেজিংয়ের গোপন ভয়?

কাঠমান্ডু: হিমালয়ের দেশে হড়পা বানের রুদ্র তাণ্ডবে মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছুঁইছুঁই এবং হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ হলেও কোনও বিদেশি উদ্ধারকারী দলকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দিল না নেপাল সরকার। ভারত, চিন, আমেরিকা, ব্রিটেন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মতো একাধিক দেশ তৎক্ষণাৎ উদ্ধারকারী দল পাঠানোর প্রস্তাব দিলেও কাঠমান্ডু তা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে। নেপালের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র লোক বাহাদুর ছেত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁদের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীই উদ্ধারকাজ চালাতে সক্ষম, তাই আপাতত বাইরের দলের প্রয়োজন নেই। উদ্ধারকাজে আপত্তি জানালেও অবশ্য মানবিক ত্রাণের ক্ষেত্রে কোনও বাধা দেয়নি নেপাল; যার ফলে ভারত ইতিমধ্যেই ৪৭.৫ টন ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে এবং দক্ষিণ কোরিয়া ১০ লক্ষ ডলার আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছে।এই চরম মানবিক বিপর্যয়ের মাঝেও নেপালের এহেন সিদ্ধান্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র শোরগোল শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের দাবি, দুর্যোগকবলিত রসুয়া জেলা সরাসরি তিব্বত সীমান্ত লাগোয়া হওয়ায় এলাকাটি সামরিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে বিদেশি দল ঢুকলে তিব্বতে চিনের সামরিক গতিবিধি প্রকাশ্যে চলে আসার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে, যার জেরেই মূলত বেজিংয়ের অদৃশ্য চাপে এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে কাঠমান্ডু। যদিও নেপালের বিদেশ মন্ত্রক এই সামরিক তত্ত্ব পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে বুধবারের ধ্বংসলীলার রেশ কাটতে না কাটতেই শুক্রবার তিব্বতে বাঁধ ভেঙে ফের নতুন করে হড়পা বানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যার জেরে রসুয়া ও ধাদিং জেলায় হাই অ্যালার্ট জারি করে নিখোঁজ ২৯০ জন ভারতীয় সহ অন্যদের উদ্ধারে চলা যাবতীয় অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছে প্রশাসন।[TECHTARANGA-POST:12066]হিডেন স্টোরিজ নিউজ

৫০০ লাশের স্তূপে দাঁড়িয়েও ভারত-চিনের উদ্ধারকারী দলকে ঢুকতে দিল না নেপাল! নেপথ্যে কি তবে বেজিংয়ের গোপন ভয়?