নয়াদিল্লি: মালদহের মোথাবাড়ি তথা কালিয়াচক-২ নম্বর ব্লকের বিডিও অফিসে বিচারকদের আটকে রেখে তাণ্ডব চালানোর ঘটনায় এবার কড়া অবস্থান নিল দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ২ মাসের মধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে এনআইএ-কে। তদন্ত শেষে দ্রুত চার্জশিট পেশ করার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতিরা।[TECHTARANGA-POST:8986]ঘটনার সূত্রপাত গত ১ এপ্রিল। ভোটারতালিকায় নাম না ওঠা কেন্দ্র করে মালদহের কালিয়াচক এলাকায় ক্ষোভ দানা বাঁধছিল। সেই সময় সেখানে এসআইআর বা ভোটারতালিকা সংশোধনের কাজে গিয়েছিলেন বিচারকরা। অভিযোগ, হঠাৎই উন্মত্ত জনতা কালিয়াচক-২ নম্বর বিডিও অফিসে চড়াও হয় এবং মহিলা-সহ মোট সাতজন জুডিশিয়াল অফিসারকে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখে। পরিস্থিতি এতটাই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে যে - গভীর রাতে বিশাল পুলিশবাহিনী গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। এই ঘটনায় রাজ্যের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে যায়।[TECHTARANGA-POST:8973]ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে সুপ্রিম কোর্ট আগেই এই মামলার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দিয়েছিল। একইসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, মালদহের জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারকে শোকজ নোটিস পাঠিয়েছিল আদালত। বর্তমানে রাজ্য পুলিশের দায়ের করা ১২টি এফআইআর-এর ভিত্তিতে সমান্তরাল তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা।[TECHTARANGA-POST:8963]আজ, সোমবার শুনানির সময় এনআইএ-র পক্ষ থেকে একটি প্রাথমিক রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া হয়। রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পর সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তদন্তে আর দেরি করা যাবে না। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সমস্ত তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করে তদন্ত গুটিয়ে আনতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চার্জশিট জমা দিতে হবে আদালতে। তদন্তের এই সময়সীমা বেঁধে দেওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে আইনি মহল। বিচারকদের উপর হামলার মতো গুরুতর ঘটনায় দোষীরা কত দ্রুত শাস্তি পায়, এখন সেটাই দেখার।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার