ইম্ফল: শান্ত হওয়ার নাম নেই! বরং, শোক আর রাগের আগুনে ফের দাউদাউ করে জ্বলছে মণিপুর! ঘুমের মধ্যেই রকেট হামলায় দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর প্রতিবাদে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে গোটা রাজ্য। নাগরিক সমাজের ডাকে শুরু হয়েছে পাঁচদিনের টানা বনধ। রবিবার রাতভর ইম্ফল-সহ বিভিন্ন প্রান্তে বের করা হয় মশাল মিছিল। যা দমাতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায় পুলিশ![TECHTARANGA-POST:8186]এই ঘটনার সূত্রপাত গত ৬ এপ্রিল। বিষ্ণুপুর জেলার মোইরাং ট্রোংলাওবিতে এক বিএসএফ জওয়ানের বাড়ি লক্ষ্য করে মাঝরাতে রকেট হামলা চালায় কুকি জঙ্গিরা। সেই সময় গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল পরিবারটি। হামলায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ৫ মাস বয়সি এক শিশুকন্যা এবং ৫ বছরের এক বালকের। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাদের মা। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে সাধারণ মানুষ।[TECHTARANGA-POST:8176]রবিবার রাত থেকেই মণিপুরের পথে নামে হাজার হাজার মানুষ। বিশেষ করে মহিলারা হাতে মশাল নিয়ে বিশাল মিছিল বের করেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, শিশু খুনে জড়িত দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। পার্বত্য এলাকায় সক্রিয় জঙ্গি গোষ্ঠীদের দমনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু, সেই বিক্ষোভ সরাতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের সেল ব্যবহার করলে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। শুরু হয় পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধ।[TECHTARANGA-POST:8171]নাগরিক সমাজ পাঁচদিনের মণিপুর বনধের ডাক দেওয়ায় সোমবার সকাল থেকেই থমথমে পরিবেশ। বাজার-হাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি অফিস সম্পূর্ণ বন্ধ। রাস্তায় নামেনি গণপরিবহণও। কেবল অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবায় ছাড় দেওয়া হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8166]এদিকে মণিপুর পুলিশ কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, প্রতিবাদের আড়ালে সমাজবিরোধীরা পেট্রোল বোমা ও পাথর নিয়ে হিংসা ছড়াচ্ছে। উসকানিদাতাদের চিহ্নিত করে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার