কলকাতা: প্রথম দফার ভোট মিটতেই বঙ্গ রাজনীতিতে চড়ছে পারদ। আগামী বুধবার, ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার মহাযুদ্ধ। তার আগে রবিবার ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে শেষ মুহূর্তের ঝোড়ো প্রচারে নামছে বিজেপি। মতুয়া ভোট ব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে উত্তর কলকাতার অলিগলি - রবিবাসরীয় প্রচারের লক্ষ্য কার্যত দক্ষিণবঙ্গের ১৪২টি আসনই![TECHTARANGA-POST:8307]রাজ্যের রাজনীতিতে মতুয়া ভোট যে তুরুপের তাস, তা কারও অজানা নয়। তাই, দ্বিতীয় দফার ঠিক আগে মতুয়া গড় বনগাঁর ঠাকুরনগরে বড়সড় সভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সভার নির্ধারিত সময় - রবিবার দুপুর ২টো ১৫ মিনিট। যার প্রধান লক্ষ্য হল, সিএএ এবং মতুয়াদের দীর্ঘদিনের দাবিদাওয়া নিয়ে বড় কোনও বার্তা দেওয়া।[TECHTARANGA-POST:8378]ঠাকুরনগরের পর মোদীর পরবর্তী গন্তব্য হুগলির হরিপাল। সেখানে জনসভা সেরে তিনি সোজা চলে আসবেন কলকাতায়। বিকেলের আলো পড়তেই তিলোত্তমার রাজপথে দেখা যাবে মোদী-ম্যাজিক! উত্তর কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলি রোড শো করবেন তিনি। শোভাবাজারের বি কে পাল অ্যাভিনিউ থেকে শুরু হবে মিছিল, যা শেষ হবে খান্না ক্রসিংয়ে। যার সময় আনুমানিক বিকেল সাড়ে ৫টা। এই রোড শো কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই উত্তর কলকাতায় সাজো সাজো রব। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে গোটা এলাকা।[TECHTARANGA-POST:8292]প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় দফার ১৪২টি কেন্দ্রে অবাধ ভোট নিশ্চিত করতে কোনও খামতি রাখছে না নির্বাচন কমিশন। তিলোত্তমার নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকছে নজিরবিহীন সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোট সামলাতে ১৪২ জন জেনারেল অবজার্ভার এবং ৯৫ জন পুলিশ অবজার্ভারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। [TECHTARANGA-POST:8344]উল্লেখ্য, প্রথম দফায় বড় কোনও অশান্তি না হওয়ায় কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সব দলই। তবে, ২৯ এপ্রিলের মহারণে কলকাতা এবং শহরতলির পরিস্থিতি সামাল দেওয়াই এখন কমিশনের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার