১০০ কোটির দুর্নীতিতে শ্রীঘরে আপ মন্ত্রী! বাংলার পর এবার কি তবে পদ্ম ফুটবে পঞ্জাবেও?
চণ্ডীগড়: ১০০ কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের অভিযোগে আম আদমি পার্টি শাসিত পাঞ্জাবে বড়সড় ধাক্কা খেল শাসকদল। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-র ম্যারাথন তল্লাশির পর গ্রেফতার হলেন রাজ্যের শিল্প ও বিদ্যুৎমন্ত্রী সঞ্জীব অরোরা। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই পঞ্জাবজুড়ে বিজেপির নতুন পোস্টার ঘিরে তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা। যেখানে সাফ লেখা — ‘বাংলার পর এবার নজর পঞ্জাবে’![TECHTARANGA-POST:8935]কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, মন্ত্রী সঞ্জীব অরোরার বিরুদ্ধে ভুয়ো জিএসটি ইনভয়েসের মাধ্যমে বিরাট আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ ছিল। মোবাইল ফোন কেনাবেচার আড়ালে প্রায় ১০০ কোটি টাকারও বেশি ‘জাল লেনদেন’ এবং ভুয়ো ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট তৈরির প্রমাণ পেয়েছে ইডি। চণ্ডীগড়, দিল্লি এবং গুরুগ্রামের মোট পাঁচটি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালিয়ে মন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। ইডির সন্দেহ, এই দুর্নীতির শিকড় অনেক গভীরে এবং দুবাই-সহ বিদেশের বিভিন্ন উৎস থেকে ‘রাউন্ড ট্রিপিং’-এর মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করা হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8915]মন্ত্রীর গ্রেফতারি যখন পঞ্জাবের রাজনীতিতে ভূমিকম্প ঘটিয়ে দিয়েছে, ঠিক তখনই চণ্ডীগড়ে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে দেখা গেল এক বিশেষ পোস্টার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ছবি-সহ সেই পোস্টারে দাবি করা হয়েছে, বাংলা যেমন বিজেপিকে সেবা করার সুযোগ দিয়েছে, এবার পঞ্জাবের মানুষও সেই পথেই হাঁটবে! এই পোস্টার ঘিরেই চড়েছে উত্তেজনার পারদ।[TECHTARANGA-POST:8908]মন্ত্রী গ্রেফতারের ঘটনায় সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে না পেরে সিবিআই-ইডির মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করছে। শুক্রবার বিজেপির অফিসে ‘পাঞ্জাব দখলের’ পোস্টার পড়া এবং শনিবার মন্ত্রীর গ্রেফতারি কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয় বলেই দাবি আপ নেতৃত্বের।