কলকাতাঃ বর্ষা বিদায়ের পথে, অথচ বাংলার আকাশে এখনও বৃষ্টির আনাগোনা! অন্যদিকে হাওয়া অফিস জানিয়েছে, সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকেই ফের বাড়তে পারে বৃষ্টির পরিমাণ। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার ও রবিবার দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। বজ্রপাতের আশঙ্কাও থাকবে। শনিবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমবে। তবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার দু’-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। রবিবারও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সোমবার ও মঙ্গলবার বৃষ্টির প্রবণতা আরও কমতে পারে। ফলে কয়েকদিন বৃষ্টি কমলেও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। তবে সপ্তাহের শেষভাগে ফের বদলাতে পারে পরিস্থিতি। বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার আরও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বর ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি রয়েছে।[TECHTARANGA-POST:12715]উত্তরবঙ্গেও আপাতত ভারী বৃষ্টির বড় সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকে বুধবার বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক কম থাকতে পারে। এরপর বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের জেলাগুলিতে ফের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। উত্তরবঙ্গ ও সিকিমের আবহাওয়ার উপর একটি অক্ষরেখা ও ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব রয়েছে। এরই মধ্যে শুরু হচ্ছে বর্ষার বিদায়পর্ব। হাওয়া অফিসের নিয়ম অনুযায়ী, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রত্যাহার প্রথমে দেশের উত্তর-পশ্চিম অংশ থেকেই শুরু হয় এবং ধাপে ধাপে তা এগোয়।অন্যদিকে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন এলাকায় তৈরি হওয়া আবহাওয়ার নতুন সিস্টেম নিয়েও নজর রয়েছে। থাইল্যান্ডের ঘূর্ণাবর্ত উত্তর আন্দামান সাগরে শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আপাতত ভারতের মৌসম ভবনের পূর্বাভাসে নিম্নচাপের কথাই রয়েছে। জানানো হয়েছে, এর সম্ভাব্য গতিপথ অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলের দিকে।