ভোটের আবহে তড়িঘড়ি এম আর বাঙুরে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস! কী এমন ঘটল টালিগঞ্জের প্রার্থীর?
ভোটের উত্তাপে সরগরম বাংলা, তার মাঝেই হঠাৎ হাসপাতালে দৌড়াতে হলো দক্ষিণ কলকাতার হেভিওয়েট প্রার্থী তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। শনিবার রাতে টালিগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থীকে হঠাৎ মুগনিরাম বাঙুর (M.R. Bangur) হাসপাতালে দেখা যাওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্য। রাজনৈতিক ব্যস্ততা ছেড়ে কেন হঠাৎ জরুরি বিভাগে পৌঁছালেন বিদায়ী বিধায়ক, তা নিয়ে শুরু হয় জল্পনা।[TECHTARANGA-POST:7500]অরূপ বিশ্বাসের পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কোনও রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা শারীরিক অসুস্থতা নয়, বরং বাড়ির পোষ্য কুকুরের আঁচড় থেকেই বিপত্তির সূত্রপাত। গত ২০ বছর ধরে টালিগঞ্জের বিধায়ক অরূপবাবু এবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ভরসাযোগ্য সেনানি। তাই প্রচারের এই ব্যস্ত সময়ে কোনওরকম শারীরিক ঝুঁকি নিতে চাননি তিনি। পোষ্য আঁচড়ে দেওয়ার পরেই তড়িঘড়ি এম আর বাঙুর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পৌঁছান তিনি।[TECHTARANGA-POST:7494]হাসপাতাল সূত্রে খবর, জরুরি বিভাগে চিকিৎসকরা মন্ত্রীর ক্ষতস্থান পরীক্ষা করেন। রেবিস সংক্রমণের বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা এড়াতে প্রোটোকল মেনে তাঁকে 'পোস্ট-এক্সপোজার প্রফিল্যাক্সিস' (PEP) বা অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিনের প্রয়োজনীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। সাধারণত এই ভ্যাকসিন ০, ৩, ৭, ১৪ এবং ৩০তম দিনে— অর্থাৎ মোট ৫টি ডোজে প্রয়োগ করা হয়। তবে অরূপবাবুর ক্ষেত্রে আঘাত তেমন গুরুতর নয় বলেই চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পর রাতেই তিনি হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।[TECHTARANGA-POST:7492]চিকিৎসকদের মতে, পোষ্য বা রাস্তার কুকুর— কামড় বা আঁচড় দিলে অবহেলা না করে অবিলম্বে সাবান জল দিয়ে ক্ষতস্থান পরিষ্কার করা এবং দ্রুত নিকটবর্তী সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করা উচিত। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসও সেই সচেতনতার পরিচয় দিয়ে তড়িঘড়ি চিকিৎসা করিয়েছেন। সামনেই ভোট, তাই সামান্য আঁচড়কেও হালকাভাবে না নিয়ে দ্রুত সুস্থ হয়ে পুনরায় নির্বাচনী ময়দানে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।