Mandarmani Raid:রাত বাড়লেই লাস্যময়ীদের মেলা, রিসর্টে মদের ফোয়ারা! মন্দারমণিতে হাই-প্রোফাইল মধুচক্রের পর্দাফাঁস
মন্দারমণি: রাতের অন্ধকার নামতেই সমুদ্রসৈকতের নিরিবিলি রিসর্টে বসত লাস্যময়ীদের আসর। সঙ্গে চলত দেদার মদের ফোয়ারা ও অনৈতিক কাজকর্ম। টাকার বিনিময়ে মিলত পছন্দসই সঙ্গী। দীর্ঘদিন ধরে আড়ালে চলা এমনই এক হাই-প্রোফাইল মধুচক্র ও মানবপাচার চক্রের পর্দাফাঁস করল মন্দারমণি কোস্টাল থানার পুলিশ। শনিবার রাতে এক বিলাসবহুল রিসর্টে আচমকা অভিযান চালিয়ে আটজন তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি এই অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিন যুবককে।পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছু দিন ধরেই মন্দারমণির ওই রিসর্টটিকে ঘিরে নানা সন্দেহজনক কারবারের খবর আসছিল প্রশাসনের কাছে। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে শনিবার গভীর রাতে কোস্টাল থানার পুলিশ আধিকারিকরা ঘেরাও করেন রিসর্টটি। ভেতরের দৃশ্য দেখে চক্ষু চড়কগাছ হয় তদন্তকারীদের। তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় আট তরুণীকে। অভিযোগ, অনৈতিকভাবে এই তরুণীদের ডেকে এনে পর্যটনের আড়ালে চালানো হতো মধুচক্র, এমনকি এর পেছনে বড়সড় মানবপাচার চক্র জড়িত থাকার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।ধৃত তিন যুবকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া তরুণীদের আপাতত মানসিক সমর্থনের জন্য কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সমুদ্রসৈকতে রূপের ফাঁদ পেতে এই চক্রের মূল কারবারি কারা এবং এর সঙ্গে রিসর্ট মালিকের কোনো প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে মন্দারমণি কোস্টাল থানার পুলিশ।উল্লেখ্য, মন্দারমণি ও তার আশপাশের এলাকায় এ ধরনের বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেও সমুদ্র উপকূলবর্তী এই এলাকায় বেশ কয়েকবার জোরালো অভিযান চালিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে পাশবর্তী চাউলখোলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২২ জন মহিলাকে আটক করেছিল রামনগর থানার পুলিশ। এ ছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই ও অক্টোবরেও বিভিন্ন রিসর্ট থেকে ম্যানেজারসহ বহু যুবক-যুবতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। প্রশাসনের কড়া নজরদারি সত্ত্বেও ফের মন্দারমণিতে এমন কাণ্ড সামনে আসায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সাধারণ পর্যটকদের মধ্যে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:12599]হিডেন স্টোরিজ নিউজ