রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায় এবার বিরাট বদল? পাশ-ফেল প্রথা ফেরানো নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন শঙ্কর ঘোষ
কলকাতা: বাংলায় কি তবে সত্যিই ফিরতে চলেছে পুরনো সেই পাশ-ফেল প্রথা? রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই শিক্ষাক্ষেত্রে একাধিক বড়সড় পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। আর এবার প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, স্কুল স্তরে ফের চালু হতে পারে পড়ুয়াদের আটকে দেওয়ার বা ফেল করানোর নিয়ম। অন্তত, শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের সাম্প্রতিক বক্তব্য কিন্তু সেই দিকেই জোরালো ইঙ্গিত দিচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:9209]প্রসঙ্গত, পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণিতে পাশ-ফেল প্রথা তুলে দেওয়ার পুরনো সিদ্ধান্ত বদলে তা পুনরায় ফিরিয়ে আনার জন্য আগেই উদ্যোগী হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। বিগত ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। শিক্ষার অধিকার আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে কেন্দ্রের সেই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়, এবার থেকে প্রত্যেক পড়ুয়াকে ক্লাস ফাইভ এবং ক্লাস এইটের বার্ষিক পরীক্ষায় বাধ্যতামূলকভাবে পাশ করতেই হবে। তবে কোনও পড়ুয়া যদি প্রথমবারে উত্তীর্ণ হতে না পারে, তাকে দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু সেই সুযোগ পাওয়ার পরও যদি সে পাশ করতে না পারে, তবে তাকে একই ক্লাসে রেখে আবার পড়াশোনা করতে হবে। কেন্দ্রের এই জাতীয় শিক্ষানীতি এতদিন রাজ্যে চালু না হলেও, এবার তা কার্যকরের পথে এগোচ্ছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।[TECHTARANGA-POST:9208]বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে রাজ্যের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্গঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসতে চলেছেন শঙ্কর ঘোষ ও স্বপন দাশগুপ্ত। এই প্রসঙ্গে শঙ্কর ঘোষ জানান, দলের যে সমস্ত বিধায়কেরা শিক্ষা জগতের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের সঙ্গে যেমন কথা বলা হচ্ছে, তেমনই রাজ্যের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের মতামতও নেওয়া হচ্ছে। মানুষ আসলে শিক্ষা ক্ষেত্রে কী ধরনের বদল চাইছে, তা নিয়ে কম-বেশি সকলেই অবগত। সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা সেরে অত্যন্ত দ্রুত একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জমা দেবেন। আর এই তৎপরতা ঘিরেই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্যের শিক্ষামহলে।[TECHTARANGA-POST:9209]