Hidden Stories (বাংলা)

ভোট নিতে দুয়ারে কমিশনের দূত! কী এই 'হোম ভোটিং'?

পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া: তপ্ত রোদে লাইনে দাঁড়িয়ে নাজেহাল হওয়ার দিন শেষ! এবার ভোটারের দুয়ারেই পৌঁছে যাবে খোদ নির্বাচন কমিশন! সোমবার থেকেই পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলার এক বিরাট অংশের মানুষের জন্য শুরু হয়ে গেল বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া। তবে, এই সুবিধা সবার জন্য নয়। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ সিদ্ধান্তে খুশি এলাকার বয়স্ক ও বিশেষভাবে সক্ষম নাগরিকরা। কারণ, তাঁদের জন্যই করা হয়েছে এই বিশেষ বন্দোবস্ত। [TECHTARANGA-POST:7980]পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, জেলার ন'টি বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ৫,৫৮৮ জন ভোটার বাড়িতে বসে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৪,০১৯ জনই হলেন প্রবীণ নাগরিক (৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে)। সোমবার সকাল থেকেই ভোটকর্মীরা ব্যালট বাক্স ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে পৌঁছে যান আবেদনকারী ভোটারদের দুয়ারে। তাঁদের সঙ্গে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা। আগামী দু'দিন ধরে এই প্রক্রিয়া চলবে বলে জানানো হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:7967]অন্যদিকে, বাঁকুড়া জেলাতেও ছবিটা একই রকম। সেখানে প্রায় ১২ হাজার ভোটার এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ভোটকর্মীরা পৌঁছে যাচ্ছেন অশীতিপর এবং বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের দুয়ারে। বাড়ির ভিতরেই তৈরি করা হচ্ছে অস্থায়ী 'ভোটিং কম্পার্টমেন্ট'। যাতে গোপনীয়তা বজায় রেখেই তাঁরা নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।[TECHTARANGA-POST:7964]নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, আগামী ১৬ এপ্রিলের মধ্যে বাঁকুড়া জেলায় এই হোম-ভোটিং প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা হাতে নেওয়া হয়েছে। যাঁরা অসুস্থতা বা বয়সের কারণে বুথে যেতে পারছিলেন না, কিংবা বিশেষভাবে সক্ষম মানুষ, কমিশনের এই পদক্ষেপে তাঁরা অত্যন্ত স্বস্তি বোধ করছেন। বাড়ির ড্রয়িংরুম বা বারান্দায় বসেই পছন্দের প্রার্থীকে বেছে নিচ্ছেন তাঁরা।

ভোট নিতে দুয়ারে কমিশনের দূত! কী এই 'হোম ভোটিং'?

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার