পুজোর মুখে চিনির দামে আগুন! দোকান-অনলাইন সর্বত্র কেনাকাটায় কড়াকড়ি, বিপাকে ক্রেতারা
পুজোর মরশুমে মিষ্টি থেকে পায়েস, বাঙালির যে কোনও উৎসবই চিনি ছাড়া অসম্পূর্ণ। আর উৎসবের মুখেই সেই চিনির বাজারে চাপ। একদিকে চড়চড়িয়ে বাড়ছে দাম, অন্যদিকে ইচ্ছেমতো চিনি কেনার ক্ষেত্রেও লাগাম লেগেছে। ফলে পুজোর আগে বাড়তি খরচের আশঙ্কার পাশাপাশি জোগান নিয়েও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।[TECHTARANGA-POST:12035]কুইক-কমার্স প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু করে বড় সুপারমার্কেটগুলিতে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি চিনি কেনা যাচ্ছে না। ‘সুইগি ইনস্টামার্ট’-এর মতো প্ল্যাটফর্মে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুটি এক কেজির প্যাকেট অর্ডার করতে পারছেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও নির্দিষ্ট সীমার বেশি চিনি কার্টে যোগ করা যাচ্ছে না। অফলাইন বাজারের ছবিটাও একই। ‘ডি-মার্ট’ এবং ‘রিলায়েন্স’-এর মতো বড় রিটেল চেনগুলিতে পরিবার পিছু চিনি কেনার পরিমাণ প্রায় ২ থেকে ৩ কেজির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু কেন এই কড়াকড়ি? মূলত উৎসবের মরশুমে বাজারে চিনির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া এবং কালোবাজারি রুখতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে যাতে বাজারে আরও দাম না বাড়ে, সেই বিষয়টিও নজরে রাখা হচ্ছে।[TECHTARANGA-POST:12033]পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রও বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে। বাজারে চিনির জোগান বাড়াতে শুল্কমুক্ত অপরিশোধিত চিনি আমদানির ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ১০ লক্ষ টন অপরিশোধিত চিনি শুল্কমুক্ত আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আমদানি করা চিনি প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাত করার জন্য মিল মালিকদের অতিরিক্ত দুই মাস সময়ও দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, আমদানির মাধ্যমে বাজারে দ্রুত চিনির জোগান বাড়িয়ে কৃত্রিম ঘাটতি কমানো এবং দাম নিয়ন্ত্রণে আনা।