Hidden Stories (বাংলা)

পুজোর মরশুমে চিনি মজুতের ছক? কেন্দ্রের নির্দেশের পর নবান্নের কড়া নজরদারি

কলকাতাঃ গত কয়েক সপ্তাহে হু হু করে বেড়েছে চিনির দাম। প্রায় ২০ দিনের মধ্যে প্রতি কেজিতে ২০ টাকারও বেশি দাম বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই চিন্তার ভাঁজ পড়েছে মিষ্টি ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ক্রেতাদের কপালে। উৎসবের মরশুমে এই দাম আরও বাড়লে তার প্রভাব পড়তে পারে মিষ্টির দামের উপরেও।[TECHTARANGA-POST:11932]এই পরিস্থিতিতে চিনির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবার কড়া পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র ও রাজ্য। উৎসবের মরশুমে চিনির কালোবাজারি ঠেকাতে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই অভিযান। কেন্দ্রীয় খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের তরফে ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি পাঠিয়ে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ব্যবসায়ীরা একটানা ১৫ দিনের বেশি বা ১০ মেট্রিক টনের বেশি চিনি মজুত রাখতে পারবেন না। বিশেষ নজরে থাকবে এমন সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, যেখানে চিনি বেশি পরিমাণে প্রয়োজন হয়। কনফেকশনারি, সফট ড্রিঙ্কস প্রস্তুতকারক সংস্থা, বড় মিষ্টির দোকান এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ সংস্থাগুলির স্টকের উপর নজরদারি চলবে। [TECHTARANGA-POST:11931]নিয়ম ভাঙলে শুধু জরিমানা নয়, ন্যূনতম তিন মাসের কারাদণ্ডের ব্যবস্থাও থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে। রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের ব্যবসায়ীদের চিনি মজুতের হিসাব এবং স্টক পরীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সামনেই দুর্গাপুজো থেকে শুরু করে একের পর এক উৎসব। আর বাংলায় উৎসব মানেই মিষ্টি। ফলে উৎসবের মরশুমে চিনির জোগান স্বাভাবিক রাখা এবং অযথা দাম বাড়ানো আটকানোই এখন প্রশাসনের বড় লক্ষ্য। 

পুজোর মরশুমে চিনি মজুতের ছক? কেন্দ্রের নির্দেশের পর নবান্নের কড়া নজরদারি