Tiger Shroff: 'অনুতাপই একমাত্র পথ, এখনই ক্ষমা চান সলমন!' টাইগারের ওপর হামলার পর লরেন্স গ্যাং নিয়ে বোমা ফাটালেন অনুপ জালোটা
মুম্বই: রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় মায়ানগরীতে ঘটে যাওয়া আচমকা এক প্রাণঘাতী হামলায় কেঁপে উঠেছে গোটা বিনোদন জগৎ। জনপ্রিয় অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে শূন্যে প্রায় পাঁচ রাউন্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ভাগ্যের জোরে ও সময়োপযোগী তৎপরতায় অভিনেতা প্রাণে বাঁচলেও, আঘাত কিন্তু যথেষ্ট গুরুতর। যদিও মুম্বই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে অভিযুক্তদের জালে তুলেছে, তবুও উৎসবের এই মরশুমে গোটা বলি-পাড়ায় নেমে এসেছে এক অতঙ্ক ও উদ্বেগের কালো ছায়া। এই থমথমে পরিবেশের মধ্যেই বিশিষ্ট ভজনশিল্পী অনুপ জালোটার এক বিস্ফোরক বয়ান পরিস্থিতিকে নতুন মোড় দিয়েছে। তাঁর স্পষ্ট দাবি, বিষ্ণোই গ্যাংয়ের লাগাতার আক্রমণ ও রোষ থেকে রেহাই পেতে সলমন খানের অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়াই একমাত্র পথ।টাইগারের ওপর এই অতর্কিত হামলার পর সেলেবমহল থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অভিনেতা সুনীল শেট্টি আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান যে, এই ধরনের ভয়াবহ ঘটনা ভবিষ্যতে যেকোনো তারকার সঙ্গেই ঘটতে পারে। এহেন সংকটজনক পরিস্থিতিতে কিংবদন্তি ভজনশিল্পী অনুপ জালোটা ভাইজানকে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চাওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা বিতর্ককে কেন্দ্র করে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের মনে যে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছিল, তার অবসান ঘটাতে সলমনের নতিস্বীকার করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী ঘটনাগুলোতে অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করে অনুপ জালোটা জানান যে, এই ধরনের অনভিপ্রেত হামলা ও সংঘাত এক নিমেষে বন্ধ করার একমাত্র চাবিকাঠি সলমন খানের একটি আন্তরিক ক্ষমা প্রার্থনা।[TECHTARANGA-POST:13770]অনুপ জালোটা আরও মনে করিয়ে দেন যে, এই বিষয়ে তিনি আগেও বহুবার সরব হয়েছেন। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও মানসিক যন্ত্রণাকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি বলে তাঁর অভিমত। তাঁর কথায়, বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের আবেগ আহত হয়েছে বলেই তারা প্রতিশোধ নিতে মরিয়া। সলমন যদি নমনীয় না হন, তবে তাঁর সহকর্মী থেকে শুরু করে তাঁদের পরিজন—সবাইকে চরম বিপদের মুখে পড়তে হবে। তাই অহংকার ভুলে কেন সলমন একটি দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না, সেই নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। উল্লেখ্য, এই হামলার পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অডিও বার্তা ছড়ায় যেখানে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং এই হামলার দায় স্বীকার করেছে, যদিও তার সত্যতা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।