Hidden Stories (বাংলা)

Kolkata Flyover : রঙিন উড়ালপুলেই একের পর এক বাইক দুর্ঘটনা! উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু রাজ্য সরকারের

কলকাতা: দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে কলকাতার একাধিক প্রধান উড়ালপুলের জাঁকজমকপূর্ণ রূপসৌন্দর্য মুহূর্তে পরিণত হয়েছিল মরণফাঁদে। পার্কসার্কাস সেভেন পয়েন্ট, গড়িয়াহাট ও চিংড়িহাটা ফ্লাইওভারের রঙিন পিচ্ছিল রাস্তায় একের পর এক মোটরবাইক দুর্ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসল নবান্ন। খোদ মুখ্যমন্ত্রী ও পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের কড়া নির্দেশে উড়ালপুল কাণ্ডে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তদন্ত শুরু করল রাজ্য সরকার।গত বুধবার দুপুরের এক পশলা বৃষ্টিতে চিংড়িহাটা উড়ালপুলের রং করা অংশ বিপজ্জনকভাবে পিচ্ছিল হয়ে পড়ে। যার জেরে মুহূর্তের মধ্যে পরপর একাধিক বাইকচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় আছড়ে পড়েন। এই ঘটনার মর্মান্তিক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিরোধী শিবির থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের একাংশের অভিযোগ, সৌন্দর্যায়নের নামে অপরিকল্পিত রঙের আস্তরণই বাইকচালকদের জীবন বিপন্ন করছে। বিষয়টি দ্রুত নজরে আসে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষমহলের।[TECHTARANGA-POST:13660]ঘটনার আকস্মিকতায় বুধবার সন্ধ্যায় এক প্রেস বিবৃত্তিতে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, মুখ্যমন্ত্রী নিজে বিষয়টিতে নজর দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। যদিও প্রাথমিক স্তরে ওই রঙকে ‘অ্যান্টি স্কিড’ বা পিছলে না যাওয়ার উপযোগী বলেই দাবি করেছিল দপ্তর, তবুও কেন বারবার দুর্ঘটনা ঘটল তা পুঙ্খানুপুঙ্খ খতিয়ে দেখার জন্য বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, রঙের জেরে চালকদের চোখে আলো ধাঁধিয়ে যাওয়ার অভিযোগও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে প্রশাসন।জনসাধারণের সুরক্ষা ও স্বাচ্ছন্দ্যকে সর্বাগ্রে রেখে ইতিমধ্যেই কেএমডিএ এবং কলকাতা পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় সংস্কারের কাজ শুরু করে দিয়েছেন। পুলিশের রিপোর্ট এবং বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনে রঙের ব্যবহারে বিকল্প ব্যবস্থা বা পরিবর্তন আনা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে পুরমহল। উৎসবের মরশুমে উড়ালপুল সুরক্ষা নিয়ে নবান্নের এমন দ্রুত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছে ওয়াকিবহাল মহল।

Kolkata Flyover : রঙিন উড়ালপুলেই একের পর এক বাইক দুর্ঘটনা! উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু রাজ্য সরকারের