বিশ্বকাপ হারার হতাশা নাকি চোট? কেন তিন সপ্তাহের ছুটিতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি?
দীর্ঘ এক মাসের লড়াই, অসংখ্য ম্যাচ আর বিশ্বকাপের উত্তেজনার পর এবার বিশ্রামে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্তিনার জার্সিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ক্লাব ফুটবলে ফিরতে চেয়েছিলেন ভক্তরা। কিন্তু সেই অপেক্ষা আরও কিছুদিন বাড়ছে। ফিফার বাধ্যতামূলক বিশ্রামের নিয়মের কারণে মরশুমের শুরুতেই ইন্টার মায়ামির হয়ে একাধিক ম্যাচে মাঠে নামতে পারবেন না আর্জেন্তাইন অধিনায়ক।[TECHTARANGA-POST:11075]২০২৬ সালের বিশ্বকাপ প্রায় ৪০ দিন ধরে চলার পর শেষ হয়েছে ১৯ জুলাই। ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হলেও পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে নজর কেড়েছেন মেসি। ৩৯ বছর বয়সেও আর্জেন্তিনার হয়ে প্রতিটি ম্যাচে শুরু থেকে মাঠে নেমেছেন তিনি। বিশ্বকাপে আটটি গোলের পাশাপাশি করেছেন চারটি অ্যাসিস্ট। এবার সেই ক্লান্তি কাটিয়ে ফেরার জন্য তাঁকে বিশ্রাম দিতে হচ্ছে। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি মরশুম শেষ হওয়ার পর ফুটবলারদের ন্যূনতম ২১ দিনের বিশ্রাম দেওয়া বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি দুই ম্যাচের মধ্যে অন্তত ৭২ ঘণ্টার বিরতি রাখার নির্দেশ রয়েছে। সেই নিয়ম মেনেই মেসিকে কিছুদিন মাঠের বাইরে রাখতে হচ্ছে ইন্টার মায়ামিকে। ফলে ১০ অগস্টের আগে মেসির মাঠে ফেরার সম্ভাবনা নেই। শুধু ম্যাচ নয়, এই সময়ের মধ্যে দলের সঙ্গে অনুশীলনেও যোগ দিতে পারবেন না তিনি। বিশ্বকাপের ধকল কাটিয়ে পুরোপুরি ফিট হয়ে ফেরাই এখন লক্ষ্য আর্জেন্তাইন তারকার।[TECHTARANGA-POST:11109]এই নিয়মের কারণে ইন্টার মায়ামির হয়ে অন্তত পাঁচটি ম্যাচে অনুপস্থিত থাকতে পারেন মেসি। সম্ভাব্য ম্যাচগুলির মধ্যে রয়েছে ২২ জুলাই শিকাগো ফায়ারের বিরুদ্ধে, ২৫ জুলাই সিএফ মন্ট্রিয়লের বিরুদ্ধে, ১ অগস্ট কলম্বাস ক্রুর বিরুদ্ধে এবং লিগস কাপের ৫ অগস্ট সান লুইস ও ৮ অগস্ট মন্টেরের বিরুদ্ধে ম্যাচ। শুধু ক্লাব ম্যাচ নয়, MLS অল-স্টার ম্যাচেও এবার দেখা যাবে না মেসিকে। গত মরশুমেও এই বিশেষ ম্যাচে অংশ নেননি তিনি, যার জেরে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছিল। তবে বর্তমানের পরিস্থিতি আলাদা। কারণ, এবার তাঁর অনুপস্থিতি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়।