বিকেল হলেই কালবৈশাখীর তাণ্ডব! ভিজবে দুই বঙ্গ, শিলাবৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার লাল সতর্কতা জারি
পূর্বাভাস সত্যি করে বৃহস্পতিবার থেকেই বৃষ্টির দাপট শুরু হয়েছে বাংলায়, আর সেই দুর্যোগের কবলে পড়ে আকাশপথে কলকাতা ফিরতে গিয়ে রীতিমতো বিপাকে পড়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে স্বস্তির খবর নয়, বরং আশঙ্কার কথা শোনাল হাওয়া অফিস। শুক্রবার বিকেল হতেই দুই বঙ্গ জুড়ে রীতিমতো তাণ্ডব চালাতে পারে কালবৈশাখী। মেঘলা আকাশ আর ভ্যাপসা গরমের মাঝেই আজ বিকেল থেকে দুই বঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বজ্রপাত ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।[TECHTARANGA-POST:7616]চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেই তাপমাত্রার পারদ যেভাবে চড়ছিল, তাতে নাভিশ্বাস উঠছিল আমজনতার। কিন্তু বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে আবহাওয়ার ভোল বদলেছে। শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলা— পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানে কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে শিলাবৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে এই জেলাগুলিতে। কলকাতা-সহ বাকি জেলাগুলোতেও ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। রবিবার বিকেলের আগে এই পরিস্থিতির বিশেষ উন্নতির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।[TECHTARANGA-POST:7614]অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোও ভিজবে বৃষ্টিতে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে শিলাবৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। পাশাপাশি জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের কিছু অংশে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ জেলাতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বৃষ্টির জেরে পারদ কিছুটা নামলেও বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকায় অত্যন্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। খুব প্রয়োজন না হলে বিকেলের দিকে বাড়ি থেকে বেরোতে নিষেধ করা হচ্ছে, আর বেরোলেও ছাতা সাথে রাখা এখন বাধ্যতামূলক।