তেহরান: ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ফের ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। জল্পনা শুরু হয়েছে সেদেশের বর্তমান সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনেইয়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মোজতবা বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন এবং তিনি সম্পূর্ণ সংজ্ঞাহীন। তেহরান থেকে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার দূরে পবিত্র শহর কোমে তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:7873]রিপোর্ট অনুযায়ী, মোজতবা খামেনেই বর্তমানে এতটাই অসুস্থ যে রাষ্ট্রীয় কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো অবস্থায় তিনি নেই। দাবি করা হচ্ছে, আমেরিকা ও ইজরায়েলি গোয়েন্দাদের কাছে তিনি কোথায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন, সেই খবর অনেক আগে থেকেই ছিল। যদিও ওয়াশিংটন বা তেল আভিভ সরকারিভাবে এই নিয়ে মুখ খোলেনি, তবে উপসাগরীয় সহযোগী দেশগুলিকে তারা বিষয়টি জানিয়েছে বলে খবর।[TECHTARANGA-POST:7872]উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও আমেরিকা-ইজরায়েলের মধ্যে শুরু হওয়া সংঘাতের প্রথম দিনেই ইরানের পূর্বতন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়। এর কিছু দিন পরই তাঁর পুত্র মোজতবাকে উত্তরসূরি ঘোষণা করে তেহরান। তবে, সেই সময় থেকেই দাবি করা হচ্ছিল, যে হামলায় তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছে, সেই একই হামলায় মোজতবাও গুরুতর আহত হয়েছেন। এমনকী, তাঁর স্ত্রী ও পুত্রেরও মৃত্যু হয়েছে বলে জল্পনা ছিল।[TECHTARANGA-POST:7869]যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মোজতবা খামেনেইকে একবারও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। মাঝে-মাঝে তাঁর কিছু বিবৃতি সামনে এলেও, সেগুলির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পশ্চিমী দুনিয়া। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পও মোজতবার বেঁচে থাকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। যদিও তেহরান বারবারই এই ধরনের খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:7864]সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, যুদ্ধের সময় শত্রুপক্ষের মনোবল ভেঙে দিতে অনেক সময় এই ধরনের খবর ছড়ানো হয়। এর আগে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যু নিয়েও একই ধরনের গুজব ছড়িয়েছিল। তবে, মোজতবা খামেনেইয়ের ক্ষেত্রে দীর্ঘ অনুপস্থিতি এবং বর্তমান সংজ্ঞাহীন থাকার খবর ইরানের রাজনৈতিক মহলে বড়সড় অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইরান সরকার এখনও এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার