কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলের প্রয়াণে ভারতীয় সঙ্গীত জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। গত ১২ এপ্রিল ৯২ বছর বয়সে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সুরের এই জাদুকরী। তাঁর বিদায়ে শোকাচ্ছন্ন গোটা দেশ। তবে এই শোকের আবহেও অনুরাগী ও সংশ্লিষ্ট মহলে গায়িকার রেখে যাওয়া বিপুল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। কয়েক দশকের দীর্ঘ সঙ্গীত কেরিয়ার এবং সফল ব্যবসায়িক বুদ্ধির জোরে আশা ভোঁসলে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। এখন প্রশ্ন উঠছে, কালজয়ী এই গায়িকার সম্পত্তির দায়িত্ব কার কাঁধে বর্তাতে চলেছে?[TECHTARANGA-POST:8110]বিভিন্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, আশা ভোঁসলের এই বিশাল বৈভবের প্রধান উত্তরাধিকারী হতে চলেছেন তাঁর ছোট ছেলে আনন্দ ভোঁসলে। আনন্দ দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর মায়ের সমস্ত ব্যবসায়িক দিক এবং অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব সামলাতেন। মুম্বই এবং পুনেতে গায়িকার যে বিলাসবহুল আবাসন ও ফ্ল্যাটগুলি রয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকা, সেগুলির দেখাশোনার দায়িত্বও তাঁর ওপরই থাকবে। এছাড়াও তাঁর গানের রয়্যালটি থেকে আসা বিপুল আয়ও এই সম্পত্তির একটি বড় অংশ। উল্লেখ্য, গজল থেকে পপ— সব ঘরানায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী আশাজির হাজার হাজার গানের রয়্যালটি তাঁর উত্তরাধিকারীদের জন্য এক শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি রেখে গিয়েছে।[TECHTARANGA-POST:8108]সঙ্গীতের বাইরে আশা ভোঁসলে ছিলেন একজন সফল উদ্যোক্তা। ২০০২ সালে দুবাইতে শুরু হওয়া তাঁর আন্তর্জাতিক রেস্তোরাঁ চেইন ‘আশা’স’ (Asha’s) বর্তমানে আরব আমিরশাহি, কুয়েত, বাহরাইন এবং ব্রিটেনের বার্মিংহাম ও ম্যাঞ্চেস্টারের মতো শহরে রমরমিয়ে ব্যবসা করছে। জানা গিয়েছে, গায়িকার এই গ্লোবাল বিজনেসের অংশীদার ও অন্যতম উত্তরাধিকারী হিসেবে থাকছেন তাঁর ছেলে আনন্দ এবং নাতনি জানাই ভোঁসলে। জানাই ইতিমধ্যেই গায়িকার বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে যুক্ত করেছেন। তবে ভক্তদের কাছে আশা ভোঁসলের আসল সম্পদ তাঁর সেই অজস্র মায়াবী গান, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার