বাংলার ভোট রাজনীতিতে বরাবরই ‘হেভিওয়েট’ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হাড়োয়ায় আজ ধরা পড়ল এক নজিরবিহীন চিত্র। বুধবার দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে দাসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কালিগাছি গ্রামে দাপট দেখাতে গিয়ে উল্টে আইএসএফ কর্মীদের তাড়া খেলেন শাসকদলের কর্মীরা। [TECHTARANGA-POST:8527]অভিযোগ উঠেছে, সকাল থেকেই তৃণমূল কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের হুমকি দিচ্ছিলেন এবং ভোট দিতে যেতে নিষেধ করছিলেন। এই খবর চাউর হতেই সংঘবদ্ধ হয়ে পালটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন আইএসএফ সমর্থকরা। ‘মস্তানগিরি চলবে না’ স্লোগান দিয়ে তাঁরা তৃণমূল কর্মীদের ধাওয়া করলে এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন শাসকদলের সমর্থকরা। হাড়োয়ায় শাসকের এই পিছু হটার ঘটনাকে রাজ্যের নির্বাচনী ইতিহাসে এক ‘বিরল’ গণপ্রতিরোধ হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।[TECHTARANGA-POST:8522]অন্যদিকে, হাড়োয়ার এই ছবি ছাপিয়ে নদিয়ার চাপড়ায় ঝরল রক্ত। চাপড়ার ৫৩ নম্বর বুথে বিজেপি এজেন্ট মোশারম মিরকে বন্দুক দেখিয়ে রড ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ওই এজেন্টের মাথায় গুরুতর চোট লেগেছে। বিজেপি প্রার্থী সৈকত সরকারের অভিযোগ, রাতভর এলাকায় বন্দুক নিয়ে দাপিয়ে বেরিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।[TECHTARANGA-POST:8513] পাশাপাশি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্বেও ভয়ের পরিবেশ তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে। সেখানে এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে ভোটার কার্ড ও পরিচয়পত্র কেড়ে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ভোট দিতে বাধা দেওয়ার এই কৌশলী মস্তানগিরিতে পরিবার নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন ওই কর্মী। দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকেই হাড়োয়ার প্রতিরোধ আর চাপড়া-ক্যানিংয়ের রক্তপাত ও হুমকির খবর রাজ্যের নির্বাচনী উত্তাপকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছে।
প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।
— হিডেন স্টোরিজ পরিবার