Premanand Maharaj: প্রেমানন্দের আশ্রমে যেতে বিরাট নিয়েছেন ৫ কোটি? ফালাহারির বোমায় শোরগোল, মুখ খুলল কোহলি শিবির!
বৃন্দাবন: প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে যাওয়ার বিনিময়ে নাকি কোটি কোটি টাকা পকেটে পুরেছেন বিরাট কোহলি! সম্প্রতি শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি সংঘর্ষ ন্যাসের সভাপতি ফালাহারি মহারাজ দীনেশ শর্মার এমনই এক বিস্ফোরক দাবিতে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে নেটপাড়ায়। তাঁর চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, প্রেমানন্দ মহারাজের আধ্যাত্মিক ভাবমূর্তি ও জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়িয়ে তুলতেই নাকি ৫ কোটি টাকার মোটা অংকের বিনিময়ে ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটারকে আশ্রমে আনা হয়েছিল। তবে এমন গুরুতর ও ভিত্তিহীন দাবিকে এক ঝটকায় নস্যাৎ করে দিয়েছে কোহলি শিবির।বিরাট কোহলি এবং তাঁর স্ত্রী অনুষ্কা শর্মা রাধা কেলি কুঞ্জ আশ্রমের নিয়মিত দর্শনার্থী হিসেবেই পরিচিত। তাঁদের এই নিছক আধ্যাত্মিক ভক্তি ও বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে ওঠা এমন বাণিজ্যিক অভিযোগে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিরাটের প্রতিনিধি দল। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে বিরাটের মুখপাত্র স্পষ্ট জানিয়েছেন, ফালাহারি মহারাজ দীনেশ শর্মার করা যাবতীয় দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যে, বানোয়াট এবং তথ্যগতভাবে বিভ্রান্তিকর। মহারাজজির প্রতি গভীর ভক্তি ও সম্মান থেকেই তারকা দম্পতি সেখানে যান, কোনো অর্থের বিনিময়ে নয়। একইসঙ্গে মিডিয়াকে এ ধরনের উসকানিমূলক খবর যাচাই না করে পরিবেশন না করার জন্য সতর্ক অনুরোধ জানানো হয়েছে।[TECHTARANGA-POST:13417]হঠাৎ করে এই বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার নেপথ্যে অবশ্য অন্য এক জটিল রহস্যের গন্ধ পাচ্ছেন অনেকেই। আসলে সাম্প্রতিক সময়ে বৃন্দাবনের এই রাধা কেলি কুঞ্জ আশ্রম এক শিষ্যের রহস্যমৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের আতসকাচের তলায় রয়েছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর চারতলার ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হয় রসিক দুলারি নামের এক শিষ্যের। ঘটনাটি দুর্ঘটনা নাকি আত্মহত্যা—তা নিয়ে মথুরা পুলিশ জোরকদমে তদন্ত চালাচ্ছে। মৃতের মানসিক চাপ, আগের জীবনযাপন এবং শেষ কয়েকদিনের কল রেকর্ড ও চ্যাট হিস্ট্রি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ইতিমধ্যেই ৮৫ জনের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে।সমালোচকদের মতে, ওই শিষ্যের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় যখন আশ্রমজুড়ে টানটান উত্তেজনা চলছে, ঠিক তখনই বিরাটের মতো মেগাস্টারের নাম এই বিতর্কে জড়িয়ে দিয়ে আসল ঘটনা থেকে নজর ঘোরানোর কিংবা আগুনে ঘি ঢালার চেষ্টা করছেন ফালাহারি মহারাজ। ২০২৩ সালের শুরু থেকে একাধিকবার বৃন্দাবনের এই আশ্রমে গিয়েছেন বিরুষ্কা। তবে তাঁদের এই ভক্তিমূলক যাতায়াতের পিছনে টাকা লেনদেনের কোনো তথ্যপ্রমাণ এখনও পর্যন্ত কেউ সামনে আনতে পারেনি।