Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Sreebhumi: সোনা-হীরের জৌলুসে বিরতি, এবার ‘ঐশ্বর্যের’ সেই জাঁকজমক সরিয়ে শ্রীভূমিতে কী থাকছে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
Sreebhumi: সোনা-হীরের জৌলুসে বিরতি, এবার ‘ঐশ্বর্যের’ সেই জাঁকজমক সরিয়ে শ্রীভূমিতে কী থাকছে?
ছবিঃ সংগৃহীত

কলকাতাঃ দুর্গাপুজো মানেই আনন্দ, উৎসব আর পাড়ায় পাড়ায় আড্ডা। কিন্তু লেকটাউনের শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের পুজোয় গত কয়েক বছর ধরে ছিল অন্য এক চাপও। প্রতিমার গায়ে কোটি কোটি টাকার সোনা-হিরের গয়না থাকত। তার জন্য থাকত বিশাল নিরাপত্তাও। ফলত, দেবী দর্শন করতে গিয়ে নাকাল হতে হত সাধারণ মানুষকে। এবার সেই ছবিতেই আসছে বদল। ঐশ্বর্যপূর্ণ জাঁকজমক’ থেকে বেরিয়ে পুজোকে আরও সর্বজনীন করে তোলার বার্তা দিয়েছে নতুন পুজো কমিটি।



একসময় শ্রীভূমির পুজো মানেই ছিল বিপুল জাঁকজমক। কোনও বছর ১৯ কোটি টাকার গয়না, কোনও বছর আবার ২৫ কোটি। বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছিল হিরের গয়নাও। এত বিপুল সম্পত্তির নিরাপত্তার জন্য আলাদা বিমা থেকে শুরু করে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হত। তার প্রভাব পড়ত দর্শনার্থীদের উপরেও। শ্রীভূমির স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল, পুজোর কয়েকদিন নিজেদের পাড়াতেই যেন বাইরের মানুষের মতো থাকতে হত তাঁদের। কাছ থেকে প্রতিমা দেখা বা অঞ্জলি দেওয়ার ক্ষেত্রেও ছিল একাধিক বিধিনিষেধ। 



প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু এ বার এই পুজোর দায়িত্বে নেই। তাঁর পরিবর্তে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন কণক দেবনাথ। তিনি বলেন, ‘দুর্গা মা-ই আমাদের সোনার অলংকার। তাকে ঘিরে জাঁকজমকে পুজোটা পুজো থাকত না। এলাকার মানুষও অসন্তুষ্ট হয়ে থাকত। মনে কষ্ট নিয়ে পুজো হয় না। আর পুজোটা কোনও বিশেষ ব্যক্তির বা তার পরিবারের নয়, পুজোটা সর্বজনীন।” 

তবে গয়নার আড়ম্বর কমলেও শ্রীভূমির পুজোয় চমকের ঘাটতি থাকছে না। ২০২৬-এর শ্রীভূমির মণ্ডপে উঠে আসছে রাজস্থানের জয়পুরের বিখ্যাত হাওয়া মহল। ইতিমধ্যেই প্রতিমাও মণ্ডপে এসে পৌঁছেছে। পিতৃপক্ষ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেবীর মুখ উন্মোচন না করার রীতিই বজায় রাখা হচ্ছে। শেষ মুহূর্তের রূপটানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন শিল্পী সনাতন রুদ্র পালের সাগরেদরা।

বিষয় : Durga Puja 2026 Sreebhumi

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


Sreebhumi: সোনা-হীরের জৌলুসে বিরতি, এবার ‘ঐশ্বর্যের’ সেই জাঁকজমক সরিয়ে শ্রীভূমিতে কী থাকছে?

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
কলকাতাঃ দুর্গাপুজো মানেই আনন্দ, উৎসব আর পাড়ায় পাড়ায় আড্ডা। কিন্তু লেকটাউনের শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের পুজোয় গত কয়েক বছর ধরে ছিল অন্য এক চাপও। প্রতিমার গায়ে কোটি কোটি টাকার সোনা-হিরের গয়না থাকত। তার জন্য থাকত বিশাল নিরাপত্তাও। ফলত, দেবী দর্শন করতে গিয়ে নাকাল হতে হত সাধারণ মানুষকে। এবার সেই ছবিতেই আসছে বদল। ঐশ্বর্যপূর্ণ জাঁকজমক’ থেকে বেরিয়ে পুজোকে আরও সর্বজনীন করে তোলার বার্তা দিয়েছে নতুন পুজো কমিটি।একসময় শ্রীভূমির পুজো মানেই ছিল বিপুল জাঁকজমক। কোনও বছর ১৯ কোটি টাকার গয়না, কোনও বছর আবার ২৫ কোটি। বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছিল হিরের গয়নাও। এত বিপুল সম্পত্তির নিরাপত্তার জন্য আলাদা বিমা থেকে শুরু করে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হত। তার প্রভাব পড়ত দর্শনার্থীদের উপরেও। শ্রীভূমির স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ছিল, পুজোর কয়েকদিন নিজেদের পাড়াতেই যেন বাইরের মানুষের মতো থাকতে হত তাঁদের। কাছ থেকে প্রতিমা দেখা বা অঞ্জলি দেওয়ার ক্ষেত্রেও ছিল একাধিক বিধিনিষেধ। প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু এ বার এই পুজোর দায়িত্বে নেই। তাঁর পরিবর্তে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন কণক দেবনাথ। তিনি বলেন, ‘দুর্গা মা-ই আমাদের সোনার অলংকার। তাকে ঘিরে জাঁকজমকে পুজোটা পুজো থাকত না। এলাকার মানুষও অসন্তুষ্ট হয়ে থাকত। মনে কষ্ট নিয়ে পুজো হয় না। আর পুজোটা কোনও বিশেষ ব্যক্তির বা তার পরিবারের নয়, পুজোটা সর্বজনীন।” তবে গয়নার আড়ম্বর কমলেও শ্রীভূমির পুজোয় চমকের ঘাটতি থাকছে না। ২০২৬-এর শ্রীভূমির মণ্ডপে উঠে আসছে রাজস্থানের জয়পুরের বিখ্যাত হাওয়া মহল। ইতিমধ্যেই প্রতিমাও মণ্ডপে এসে পৌঁছেছে। পিতৃপক্ষ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেবীর মুখ উন্মোচন না করার রীতিই বজায় রাখা হচ্ছে। শেষ মুহূর্তের রূপটানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন শিল্পী সনাতন রুদ্র পালের সাগরেদরা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত