বৈশাখের শুরুতেই খেল দেখাবে প্রকৃতি! পুড়বে নাকি ভিজবে বাংলা? নববর্ষের আবহাওয়ায় বড় আপডেট
তীব্র দাবদাহে যখন বাংলার নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়, ঠিক তখনই পয়লা বৈশাখের মুখে স্বস্তির বার্তা শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। গত কয়েকদিন ধরে চৈত্র সেলের উত্তাপের মতোই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রোদের তেজ। তবে নববর্ষের শুরুতে বৃষ্টির পূর্বাভাসে কিছুটা আশার আলো দেখছেন আমজনতা। আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, ঝাড়খণ্ড ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত এবং অসম থেকে তামিলনাড়ু পর্যন্ত বিস্তৃত অক্ষরেখার প্রভাবে আজ থেকেই ভিজতে পারে রাজ্যের একাধিক জেলা। বুধবার পশ্চিমের জেলাগুলোতে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে বইতে পারে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া।দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং বর্ধমান ও বীরভূমে বৃষ্টির সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। শুক্রবার নাগাদ বৃষ্টি হতে পারে নদীয়া ও মুর্শিদাবাদেও। তবে বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থেকে এখনই রেহাই মিলছে না। উল্টে তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতার পারদ ৩৭ ডিগ্রি ছুঁতে পারে, আর পশ্চিমের জেলাগুলোতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। অর্থাৎ, বৃষ্টি হলেও ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি বজায় থাকবে শহর ও শহরতলিতে।[TECHTARANGA-POST:8001]অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতেও ঝড়-বৃষ্টির দাপট জারি থাকবে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় মালদহ ও দুই দিনাজপুরে বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারের মতো জেলাগুলোতে আজ থেকেই ভিজবে মাটি। বৃহস্পতিবার থেকে সমতলের জেলাগুলোতে বৃষ্টির তেজ কমলেও পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি চলতে পারে। উত্তরের নিচের দিকের জেলাগুলোতেও তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে হাওয়া অফিস। সব মিলিয়ে নববর্ষের সকালে রোদ আর বৃষ্টির এই লুকোচুরি খেলাতেই কাটবে বাঙালির নতুন বছরের শুরু।হিডেন স্টোরিজ নিউজ